‘ইউনিফর্ম নয়, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চরিত্রের পরিবর্তন প্রয়োজন’
‘ইউনিফর্ম নয়, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চরিত্রের পরিবর্তন প্রয়োজন’
editor
প্রকাশিত জানুয়ারি ২২, ২০২৫, ০৬:৪২ পূর্বাহ্ণ
Manual3 Ad Code
স্টাফ রিপোর্টার:
পুলিশ, র্যাব ও আনসারের পোশাক পরিবর্তন বিষয়ে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা ইউনুছ আহমাদ বলেছেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলোর মধ্যে যে ব্যাপক পরিবর্তন ও সংস্কার প্রয়োজন এটা অন্তর্বর্তী সরকার বুঝতে সক্ষম হয়েছে। তাদের সাম্প্রতিক কার্যক্রমে দেশবাসী আশার আলো দেখতে শুরু করেছে।
Manual2 Ad Code
তিনি বলেন, পুলিশ, র্যাব ও আনসারের পোশাক পরিবর্তন নাগরিকদের কাছে মুখ্য বিষয় নয়। নাগরিকরা এই বাহিনীগুলোর চরিত্রে পরিবর্তন চায়। জান-মালের নিরাপত্তা নিশ্চিতের নিশ্চয়তা চায়। ঘুষ বাণিজ্য, দুর্নীতি, মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি ও সরকার দলীয় লাঠিয়াল বাহিনী হিসেবে এদের কখনো দেখতে চায়নি ভবিষ্যতেও দেখতে চায় না।
মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারি) বিকেলে দলীয় কার্যালয়ে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কমিটির সাপ্তাহিক সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
Manual7 Ad Code
ইউনুছ আহমাদ বলেন, শুধু পোশাক পরিবর্তন করা হলে মানুষের করের টাকা নষ্ট হবে, লাভবান হবে কয়েকজন ঠিকাদার। সমস্যা পোশাকে নয়, পুরো সিস্টেমে। পোশাক পরিবর্তন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নয়। সবচেয়ে জরুরি হলো চরিত্র পরিবর্তন। নৈতিকতাসম্পন্ন মানুষ হিসেবে প্রস্তুত করে তাদের বিভিন্ন জায়গায় বসাতে হবে। উন্নত নৈতিকতাসম্পন্ন মানুষ পেতে হলে শিক্ষাব্যবস্থার পরিবর্তন করতে হবে। তাদের আত্মশুদ্ধি করতে হবে। বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের রেখে যাওয়া শিক্ষাব্যবস্থা দিয়ে নৈতিকতাসম্পন্ন সৎ ও যোগ্য মানুষ গড়ে তোলা সম্ভব নয়।
Manual1 Ad Code
তিনি আরও বলেন, শুধু আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নয়, রাষ্ট্রের সকল কর্মকর্তা কর্মচারীদের স্বভাব, চরিত্র ও রাজনৈতিক দুর্বৃত্তদের সহযোগীর ভূমিকা থেকে ফিরিয়ে আনতে হবে। নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত করে আদর্শ সেবক হিসেবে তাদের গড়ে তুলতে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ ও মোটিভেশন করতে হবে। ধর্মীয় জ্ঞান অর্জন ও আত্মশুদ্ধি ছাড়া অপরাধ প্রবন মানসিকতার পরিবর্তন অসম্ভব।
Manual6 Ad Code
এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব গাজী আতাউর রহমান, যুগ্ম মহাসচিব শেখ ফজলে বারী মাসউদ, সহকারী মহাসচিব আহমদ আবদুল কাইয়ূম, দপ্তর সম্পাদক লোকমান হোসাইন জাফরী, এবিএম জাকারিয়া, মুফতি কেফায়েতুল্লাহ কাশফী, শওকত আলী হাওলাদার, আবদুর রহমান, আতিকুর রহমান মুজাহিদ, খলিলুর রহমান, মুহাম্মদ আরিফুল ইসলাম, জিএম রুহুল আমিন, শহিদুল ইসলাম কবির, মুফতি মানসুর আহমাদ সাকী ও শাহ ইফতেখার তারিক।