এর আগে ফয়জুলের বিরুদ্ধে সিলেট শাহপরাণ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মিজানুর রহমান বাদী হয়ে থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা করেন। সেই মামলায় ফয়জুল ইসলামকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
পুলিশ জানায়, শনিবার বিকেলে শাহপরাণ থানাপুলিশের একটি টহল দল সিলেট-তামাবিল মহাসড়কের সুরমা গেট থেকে শাহপরাণ মাজার গেটের দিকে যাচ্ছিল। মাজার গেটের সামনে পুলিশের গাড়ি দেখে জৈন্তাপুরের দিক থেকে আসা একটি প্রাইভেট কার দ্রুত পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় মাজার গেটের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা একটি লেগুনাকে ধাক্কা দেয় প্রাইভেট কারটি। পরক্ষণে প্রাইভেট কারের চালক দ্রুত পালিয়ে যান। তবে প্রাইভেট কারে থাকা যুবদল নেতা ফয়জুল ইসলামকে ভারতীয় অবৈধ প্রসাধনীসহ আটক করেন স্থানীয় লোকজন।
Manual8 Ad Code
পরে পুলিশ এসে প্রাইভেট কার তল্লাশি করে অবৈধভাবে ভারত থেকে নিয়ে আসা ৪ হাজার ৩০০টি প্রসাধনী সামগ্রী জব্দ করা হয়। যার বাজারমূল্য প্রায় ১২ লাখ ৪ হাজার টাকা। এ সময় জব্দ করা হয় প্রাইভেট কারটিও। পুলিশের দায়েরকৃত মামলায় কারচালককেও আসামি করা হয়েছে।
শাহপরাণ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ইন্দ্রনীল ভট্টাচার্য রবিবার সন্ধ্যায় বলেন, আদালতের নির্দেশে ফয়জুলকে আজ (রবিবার) বিকালে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তাকে রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করবে পুলিশ। অন্যদিকে পলাতক কারচালককে আটকের চেষ্টা করা হচ্ছে।