নিজস্ব প্রতিবেদক :
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে এক যুবকের স্ত্রী অভিমান করে চলে যাওয়ায় পর বসতঘর থেকে তার অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ওই যুবকের নাম বাবুল মিয়া (৩৫)। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার পাটলী ইউনিয়নের কামিনিপুর গ্রামের বাড়ি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বাড়ি থেকে দুর্গন্ধ বের হলে স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে।
পুলিশ ও স্থানীয়দের ধারনা, স্ত্রী চলে যাওয়ায় অভিমানে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন তিনি। বসত ঘর থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। বাবুল মিয়া কিশোরগঞ্জের তারাইল উপজেলার গজিনপুর গ্রামের দুলাল মিয়ার ছেলে। তবে দীর্ঘদিন ধরে তিনি পাটলী ইউনিয়নের চাঁনপুর গ্রামে বসবাস করছিলেন।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বাবুল মিয়া ৮ বছর আগে একই এলাকার বনগাঁও গ্রামে বিয়ে করেন। কিন্তু তাদের কোনো সন্তান হয়নি। এ নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মনোমালিন্য চলছিল। অভিমান করে স্ত্রী গত ১ আগস্ট বাবার বাড়িতে চলে যান। বাবুল মিয়া বাড়িতে একাই ছিলেন। তিনি যে বাড়িতে থাকতেন সেই বাড়িটি কিছুটা নির্জন হওয়ায় সেখানে লোকজনের যাতায়াত কম ছিল। সোমবার দুপুরের দিকে বাড়ি থেকে দুর্গন্ধ বের হলে স্থানীয়রা বিষয়টি থানায় জানান। এরপর পুলিশ ওই বাড়ি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে।
Manual5 Ad Code
পাটলী ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম বলেন, বাবুল মিয়ার স্ত্রী কয়েক দিন আগে রাগ করে চলে যায় বলে শুনেছি। বাড়িটি গ্রামের অন্য বাড়ি থেকে একটু দূরে থাকায় লোকজনের কম আসা-যাওয়া ছিল। কীভাবে তার মৃত্যু হয়েছে পুলিশ ভালো বলতে পারবে। দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ায় এলাকাবাসী পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে।
Manual8 Ad Code
জগন্নাথপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, পাটলী ইউনিয়নের কামিনিপুর গ্রাম থেকে বাবুল মিয়া নামের এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। যুতটুকু জানা গেছে সন্তান না হওয়ায় স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মনোমালিন্য ছিল। তার স্ত্রী অভিমান করে গত ১ সেপ্টেম্বর বাবার বাড়িতে চলে গিয়েছিলেন। ময়নাতদন্তের পর লাশ তার স্ত্রীর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।