শীতের ভোরে শিশুদের মাঝে কম্বল নিয়ে হাজির বিয়ানীবাজারের ইউএনও
শীতের ভোরে শিশুদের মাঝে কম্বল নিয়ে হাজির বিয়ানীবাজারের ইউএনও
editor
প্রকাশিত জানুয়ারি ১৬, ২০২৬, ০৭:৪৬ অপরাহ্ণ
Manual6 Ad Code
Manual4 Ad Code
স্টাফ রিপোর্টার:
Manual5 Ad Code
কম্বল নিয়ে শীতার্ত মানুষের দ্বারে দ্বারে ছুটছেন বিয়ানীবাজার উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) উম্মে হাবিবা মজুমদার। শুক্রবার ভোরে শীত উপেক্ষা করে শিশুদের মাঝে কম্বল বিতরণ করলেন তিনি। ফজরের নামাজ শেষ হয়ে তখন অন্ধকার ভেদ হয়নি, এমন সময়ে কম্বল হাতে ইউএনওকে দেখে বিস্মিত শীতার্থ শিশুরা।
Manual4 Ad Code
দিনভর নির্বাচনী ও প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করে ভোরে উঠেই অপেক্ষা করছিল আরেকটি ব্যস্ত কর্মদিবস। কিন্তু শীতল রাতের নিস্তব্ধতায় তার মনে ভেসে ওঠে অন্য এক চিত্র—অসংখ্য অসহায় মানুষ, যাদের আজ রাতেও একটি কম্বলের অভাবে ঘুম আসবে না। ভাবনাটুকুই সিদ্ধান্তে রূপ নেয়। বাসা থেকেই তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন—অবিলম্বে শীতবস্ত্র বিতরণের আয়োজন করতে হবে। নির্দেশনা পেয়ে দ্রুত প্রস্তুতি সম্পন্ন করেন উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা। চোখের সামনে উপজেলার অভিভাবককে নিজ হাতে কম্বল বিতরণ করতে দেখে কিছুটা হতবিহ্বল হয়ে পড়েন শীতার্থ মানুষ। কেউ বিস্ময়ে তাকিয়ে থাকেন, কেউ চোখের কোনে লুকাতে চান কৃতজ্ঞতার অশ্রু। শীতের ভোরে কম্বলের উষ্ণতার সঙ্গে তারা যেন পেল মানবিক স্পর্শের অনুভূতি।
চাহিদার তুলনায় শীতবস্ত্রের বরাদ্দ কম কিন্তু দরিদ্র মানুষের সংখ্যা অনেক বেশি। তাই প্রকৃত দুস্থদের কাছে কম্বল বিতরণে তিনি নিয়েছেন এমন উদ্যোগ। এসময় তার সাথে ছিলেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা হিরণ মাহমুদ।
কম্বল পাওয়া একাধিক শীতার্ত জানান, শীত অনেক বেড়েছে। এই শীতের রাতে ইউএনওর দেওয়া কম্বল তাদের অনেকটাই রক্ষা করছে। তাছাড়া কুয়াশা ভেজা ভোরে সরকারি কর্মকর্তার এমন উপস্থিতিতে তারা বিস্মিত।
Manual5 Ad Code
কনকনে শীতে যখন জবুথবু এ জনপদের নিম্নআয়ের মানুষ এবং বি়ভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসার এতিম শিশু আর বয়ো:বৃদ্ধরা, তখন শীতার্তদের পাশে দাড়ান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে হাবিবা মজুমদার। তিনি বলেন, সরকারি দায়িত্বের অংশ হিসেবে শীতবস্ত্র তুলে দেয়া হয়েছে। বিভিন্ন মাদ্রাসা ও এতিমখানায় পর্যায়ক্রমে আরো কম্বল প্রদান করা হবে।