গোপালগঞ্জে সংঘর্ষ: অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি আবু তারিকের নেতৃত্বে তদন্ত কমিশন
গোপালগঞ্জে সংঘর্ষ: অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি আবু তারিকের নেতৃত্বে তদন্ত কমিশন
editor
প্রকাশিত জুলাই ২৪, ২০২৫, ১২:৩১ অপরাহ্ণ
Manual3 Ad Code
স্টাফ রিপোর্টার:
গত ১৬ জুলাই গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) জনসভায় হামলাকে কেন্দ্র সহিংসতার ঘটনা তদন্তে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির নেতৃত্বে ৬ সদস্যের কমিশন গঠন করেছে সরকার।
আজ বৃহস্পতিবার প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
Manual7 Ad Code
দ্য কমিশন অব ইনকোয়ারি অ্যাক্ট ১৯৫৬ এর ৩ ধারা অনুযায়ী ওই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের লক্ষ্যে এ কমিশন গঠন করা হয়েছে।
Manual1 Ad Code
কমিশনের সভাপতি করা হয়েছে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি ড. মো. আবু তারিক। কমিটিতে সদস্য হিসেবে আছেন—জননিরাপত্তা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব খন্দকার মো. মাহাবুবুর রহমান, আইন ও বিচার বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ) মো. সাইফুল ইসলাম, ২১ পদাতিক ব্রিগেডের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শাহীদুর রহমান ওসমানী, অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক সরদার নূরুল আমিন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়ন বিভাগের চেয়ারম্যান ড. সাজ্জাদ সিদ্দিকী।
Manual3 Ad Code
প্রেস উইং জানায়, ১৬ জুলাইয়ের ওই ঘটনার পর গঠিত তদন্ত কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী এই তদন্ত কমিশন গঠিত হয়েছে।
কমিশনের কার্যপরিধিতে বলা হয়েছে—ঘটনার কারণ উদ্ঘাটন, এনসিপির জনসভায় হামলার জন্য দায়ীদের চিহ্নিত করা, দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থার সুপারিশ দেওয়া, জেলা কারাগারসহ বিভিন্ন সরকারি স্থাপনায় হামলার ও অন্যান্য ঘটনা বিশ্লেষণ করে মতামত দেওয়া এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা রোধে করণীয় বিষয়ে সুপারিশ দেওয়া।
বিবৃতিতে বলা হয়, তদন্ত কমিশন প্রয়োজনে উপযুক্ত যেকোনো ব্যক্তিকে কমিশনের সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করতে পারবে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ তদন্ত কমিশনকে সাচিবিক সহায়তা দেবে।
Manual3 Ad Code
কমিশনকে আগামী ৩ সপ্তাহের মধ্যে সুস্পষ্ট মতামত ও সুপারিশসহ তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে হবে। আবু তারিক ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৮ সালের জুনে তিনি বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান। তাঁর বাড়ি বিয়ানীবাজার উপজেলার পৌরশহরের শ্রীধরা গ্রামে।