শনিবার (২৩মে) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলাম তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন।
গত ১৫ মে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ভাটারা থানার উপ-পরিদর্শক মো. আমিনুর রহমান সন্দিগ্ধ আসামি হিসেবে বিথিকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন। আদালত আসামির উপস্থিতিতে শুনানির জন্য আজ শনিবার দিন নির্ধারণ করেছিলেন।
Manual8 Ad Code
এদিন রাষ্ট্র পক্ষের আইনজীবী শামসুদ্দোহা সুমন তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর পক্ষে শুনানি করেন। তিনি বলেন, এই মামলার সঙ্গে আসামির সম্পৃক্ততা থাকায় তদন্ত কর্মকর্তা তাকে গ্রেপ্তারের আবেদন করেছেন।
গ্রেপ্তার শুনানিতে আদালতের অনুমতি নিয়ে বিচারককে উদ্দেশ্য করে শীর্ষ সন্ত্রাসী সুব্রত বাইনের মেয়ে বিথি বলেন, এর চেয়ে আমাকে ক্রসফায়ারে মেরে ফেলেন? আমার বাচ্চা আছে। বারবার মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে। আমি চাকরি করে চলি। এত টাকা কই পাবো?
বিথি আরও বলেন, আমি কোনো রাজনীতির সঙ্গে জড়িত না। ছাত্রলীগ, যুবলীগের সঙ্গে জড়িত থাকবো কীভাবে? শুধুমাত্র বাবার কারণে আমাকে বিভিন্ন মামলায় জড়ানো হচ্ছে। আমার ১৩ বছরের একটা মেয়ে বাচ্চা আছে। এর আগে আমি একটি মামলায় জামিন পাই। পরে আবার সাজানো মামলা দেয়। বারবার এত মামলা দেওয়ার কারণ কি জানিনা। আমি সেদিন আমার বাবাকে দেখতে গেছিলাম। সেখান থেকেই আমাকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে আসে। বাবা হিসেবে তাকে দেখতে যেতেই পারি। আমি জুলাইয়ের সময় পার্ট টাইম জবের জন্য সিলেট গিয়েছিলাম।
Manual8 Ad Code
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২৪ সালের জুলাইয়ের ৫ আগস্ট ভাটারা থানাধীন প্রগতি সরণি এলাকায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমর্থনে বের হওয়া মিছিলে আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠনের সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের হামলায় সোহেলী তামান্না গুরুতর আহত হন। সন্ত্রাসীদের গুলিবর্ষণ ও ধারালো অস্ত্রের আঘাতে তার বাম হাতের কার্যক্ষমতা নষ্ট হয়ে যায়।ওই ঘটনায় ভুক্তভোগী সোহেলী নিজেই বাদী হয়ে বাড্ডা থানায় হত্যাচেষ্টা মামলাটি করেন।
Manual7 Ad Code
তদন্তকারী কর্মকর্তা আবেদনে উল্লেখ করেন, ঘটনার সঙ্গে সন্দিগ্ধ আসামি খাদিজা ইয়াসমিন বিথির প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সম্পৃক্ততার প্রাথমিক তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে। আসামি জামিনে মুক্তি পেলে পলাতক হয়ে তদন্তে ব্যাঘাত ঘটাতে পারে এজন্য এ মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো একান্ত প্রয়োজন।