দুই ‘শিবির নেতা’র অস্ত্র প্রদর্শনের অভিযোগ ছাত্রদল সম্পাদকের
দুই ‘শিবির নেতা’র অস্ত্র প্রদর্শনের অভিযোগ ছাত্রদল সম্পাদকের
editor
প্রকাশিত মে ২৩, ২০২৬, ০১:১১ অপরাহ্ণ
Manual2 Ad Code
স্টাফ রিপোর্টার:
ঝিনাইদহে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে পাল্টা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দীন নাসির।
Manual7 Ad Code
শুক্রবার (২২ মে) বিকেলে এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে তিনি নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে ‘মব ও সংঘাত উসকে দেওয়া ব্যক্তি’ হিসেবে আখ্যা দেন।
একইসঙ্গে, ঘটনাস্থলে অস্ত্র উঁচিয়ে ধরা দুজনকে ‘শিবির নেতা’ দাবি করে তাদের অনতিবিলম্বে গ্রেপ্তারের জন্য স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন ছাত্রদলের এই শীর্ষ নেতা।
Manual8 Ad Code
ফেসবুক স্ট্যাটাসে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক দাবি করেন, গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশের রাজনীতিতে সবচেয়ে বিতর্কিত, সমালোচিত এবং মব ও সংঘাত উসকে দেওয়া ব্যক্তি হচ্ছেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।
নাসির উদ্দীন নাসির অভিযোগ করে বলেন, আজ ঝিনাইদহে তিনি মব সৃষ্টির উদ্দেশ্যেই গিয়েছিলেন। কিন্তু সেখানে স্থানীয় সাধারণ জনতা ক্ষুব্ধ হয়ে তার ওপর ডিম নিক্ষেপ করে। এই ঘটনার পর নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর সঙ্গে থাকা ‘সন্ত্রাসীরা’ সাধারণ জনতাকে লক্ষ্য করে গুলি করার চেষ্টা চালায়।
স্ট্যাটাসে অস্ত্রধারী দুজনকে ‘শিবিরের সন্ত্রাসী’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে তাদের সুনির্দিষ্ট পরিচয় প্রকাশ করেছেন ছাত্রদল সম্পাদক। তিনি দাবি করেন-
Manual2 Ad Code
১. সিয়াম উদ্দিন তুর্য (পাঞ্জাবি পরা) : তার বাবা স্থানীয় জামায়াত নেতা সল্টু মাস্টার, যিনি বদরগঞ্জ মাদ্রাসার শিক্ষক। তাদের বাড়ি ঝিনাইদহের মাস্টারপাড়া, কোর্টপাড়া এলাকায়।
২. আশিক (টি-শার্ট পরা) : তার বাবা মৃত বাদশা। তিনি ঝিনাইদহের কাষ্টসাগরা গ্রামের বাসিন্দা এবং শিবিরের একজন নেতা।
ছাত্রদলের এই শীর্ষ নেতা ঝিনাইদহের স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, প্রকাশ্য স্থানে অস্ত্র প্রদর্শনকারী এই দুই ব্যক্তিকে অনতিবিলম্বে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনতে হবে।
Manual4 Ad Code
প্রসঙ্গত, শুক্রবার (২২ মে) জুমার নামাজের পর ঝিনাইদহ শহরের পুরাতন কালেক্টরেট মসজিদের সামনে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। এসময় তিনি সাংবাদিকদের বলেন, আমরা মসজিদ থেকে নামাজ পড়ে বের হওয়ার পরপরই ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের আহ্বায়কের নেতৃত্বে হকিস্টিক ও অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে আমাদের ওপর হামলা করা হয়।