রাতারাতি সাফল্য পেলে অনেকেই ‘অহংকারী’ হয়ে ওঠেন। দক্ষিণ ভারতীয় অভিনেত্রী সামান্থা রুথ প্রভুর ক্ষেত্রেও এমনই ঘটেছিল। আর সে কথা তিনি নিজেই সামনে আনলেন। এক সাক্ষাৎকারে জানালেন, তারকাখ্যাতির মোহে পড়ে তিনি একসময় বেশ ‘অহংকারী’ হয়ে উঠেছিলেন।
Manual3 Ad Code
সামান্থা জানান, ছোট শহরের একটি মেয়ের জন্য হঠাৎ এত খ্যাতি ও মানুষের ভালোবাসা পাওয়া ছিল রোমাঞ্চকর এবং অভাবনীয়। মানুষ তার সিনেমা দেখত, উচ্ছ্বাস প্রকাশ করত এবং তার নাম ধরে ডাকত। চারদিকে তাকে ঘিরে আলোচনা হতো। এসব দেখে ‘খ্যাতির নেশায় আসক্ত’ হয়ে পড়েছিলেন অভিনেত্রী।
Manual5 Ad Code
একসময় বছরে পাঁচটি ছবিও করতেন সামান্থা এবং সবগুলোই হয়েছিল সফল। সেজন্য নির্মাতা তাকে ‘সোনার ডিম পাড়া হাঁস’ মনে করতেন। ফলে ক্যারিয়ারে বাড়তি চাপও অনুভব হতো অভিনেত্রীর। এক পর্যায়ে তার মনে অহংকার বাসা বাঁধে। কিন্তু ভাবতেন, কখনোই আর খ্যাতি হারাবেন না। সবসময় এমনই সাফল্যের জোয়ারে ভাসবেন।
Manual6 Ad Code
Manual6 Ad Code
কিন্তু সামান্থার ভাবনা আমূল বদলে যায় বছর কয়েক আগে, যখন তিনি অসুস্থতার কারণে বাধ্য হয়েই বিরতি নিয়েছিলেন। ৩৯ বছর বয়সী এ অভিনেত্রী বলেন, ‘একজন অভিনয়শিল্পী হিসেবে এতটাই অহংকারী হয়ে উঠেছিলাম, মনে হতো এই পথের কোনো শেষ নেই। সেই শেষটা দেখতেই চাই না। কিন্তু অসুস্থ হয়ে বাধ্যতামূলক বিরতি নিতে গিয়ে সেই ভুল ভেঙেছিল আমার।’
অতঃপর জীবন ও যাপনে নানা পরিবর্তন আনেন সামান্থা। এখন সেই পরিবর্তিত চিন্তা-ভাবনা নিয়েই চলছেন তিনি। ১৯ জুন মুক্তি পাবে সামান্থা অভিনীত ছবি ‘মা ইন্তি বাঙ্গারাম’। এটি প্রযোজনাও করছেন সামান্থা। এছাড়া নির্মাতা জুটি রাজ ও ডিকের নতুন সিরিজ ‘রক্ত ব্রহ্মাণ্ড’-এও দেখা যাবে তাকে।