কানাইঘাটে সিএনজি চালক হত্যা, পিতা-পুত্রসহ গ্রেপ্তার ৫
কানাইঘাটে সিএনজি চালক হত্যা, পিতা-পুত্রসহ গ্রেপ্তার ৫
editor
প্রকাশিত অক্টোবর ২১, ২০২৬, ০১:২১ অপরাহ্ণ
Manual3 Ad Code
কানাইঘাট সংবাদদাতা:
সিলেটের কানাইঘাটে সিএনজি চালক শাহাব উদ্দিন হত্যা মামলায় একই পরিবারের পিতা মজন আলী ও তাঁর চার ছেলেকে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ। ঘটনার পর স্থানীয় জনতা তাঁদের আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেন। এর মধ্যে মজন আলীর তিন ছেলে ভারতে পালানোর চেষ্টাকালে স্থানীয়দের হাতে আটক হন বলে জানা গেছে। বুধবার (২১ অক্টোবর) দুপুরে গ্রেপ্তার পাঁচজনকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন, কানাইঘাট উপজেলার সোনাতনপুঞ্জি গ্রামের মজন আলী (৫৫) ও তাঁর চার ছেলে জাকারিয়া (৩০), ইয়াহিয়া (২৫), শাহরিয়া (২২) এবং কিবরিয়া (১৯)।
Manual5 Ad Code
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সকাল ৮টার দিকে উপজেলার ২ নম্বর লক্ষ্মীপ্রসাদ পশ্চিম ইউনিয়নের সোনাতনপুঞ্জি গ্রামের ছামরতল এলাকায় শাহাব উদ্দিনকে ছুরিকাঘাত করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে প্রথমে কানাইঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হলে সকাল ১১টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহত শাহাব উদ্দিন সোনাতনপুঞ্জি গ্রামের বাসিন্দা এবং পেশায় সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক ছিলেন।
Manual3 Ad Code
স্থানীয়দের দাবি, প্রায় এক মাস আগে সুরইঘাট উত্তর বাজার সিএনজি স্ট্যান্ডের সিরিয়াল নিয়ে শাহাব উদ্দিনের সঙ্গে প্রতিবেশী চালক জাকারিয়ার বিরোধ সৃষ্টি হয়। ওই বিরোধের জের ধরে হত্যাকাণ্ডের আগের দিন গ্রামের একটি বাড়িতে আসামিরা বৈঠক করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
ঘটনার পর মঙ্গলবার সকালে স্থানীয় জনতা মজন আলী ও তাঁর ছোট ছেলে কিবরিয়াকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেন। পরে বিকেলে বাকি তিন ছেলেকে ভারতে পালানোর চেষ্টাকালে আটক করেন স্থানীয়রা। এ সময় তাঁদের গণপিটুনি দেওয়া হয়। পরে পুলিশি প্রহরায় তাঁদের থানায় নেওয়া হয়।
কানাইঘাট থানা পুলিশ জানায়, ঘটনার প্রাথমিক তদন্ত ও স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
Manual1 Ad Code
নিহতের ভাই এনাম উদ্দিন বাদী হয়ে কানাইঘাট থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। বুধবার দুপুরে গ্রেপ্তার পাঁচজনকে যথাযথ পুলিশি প্রক্রিয়া শেষে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।