বাংলাদেশ-ভারতের সম্পর্ক ভালো না থেকে উপায় নেই: প্রধান উপদেষ্টা
বাংলাদেশ-ভারতের সম্পর্ক ভালো না থেকে উপায় নেই: প্রধান উপদেষ্টা
editor
প্রকাশিত মার্চ ৩, ২০২৫, ০৭:১০ পূর্বাহ্ণ
Manual6 Ad Code
স্টাফ রিপোর্টার:
শেখ হাসিনা পালিয়ে ভারতে আশ্রয় নেওয়ার পর থেকেই দেশটির সঙ্গে সম্পর্কে টানাপোড়েন চলছে অন্তর্বর্তী সরকারের। হাসিনাকে বিচারের মুখোমুখি করতে প্রত্যার্পণ চেয়ে ভারতকে চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। যা নিয়ে দুদেশের মধ্যে দেখা গেছে উত্তেজনা। এছাড়াও সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া স্থাপন, বাংলাদেশিদের জন্য ভারতের ভিসা বন্ধ করে দেওয়াসহ নানা ইস্যুতে দিল্লির সঙ্গে ঢাকার সম্পর্কে ভাটা পড়েছে।
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রায় ৭ মাস অতিবাহিত হওয়ার পর সেই সম্পর্কের মেঘ কতটা দূরে সরল। প্রতিবেশী ভারতের সঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকারের সম্পর্ক এখন কেমন। সেসব বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের একটি বিশেষ সাক্ষাৎকার নিয়েছেন বিবিসি বাংলার সম্পাদক মীর সাব্বির। যেখানে উঠে এসেছে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশে সম্পর্কের বিষয়টি।
বিবিসি বাংলা: গণঅভ্যুত্থানের পর থেকে ভারতের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্কের অবনতি দেখা গেছে। দুই দেশের সম্পর্ক এখন কোন পর্যায়ে আছে?
প্রধান উপদেষ্টা: খুবই ভালো। আমাদের সম্পর্কের কোনো অবনতি হয় নাই। আমি যেভাবে ব্যাখ্যা করে এসেছি আমাদের সম্পর্ক সবসময় ভালো থাকবে। এখনও ভালো আছে, ভবিষ্যতেও ভালো থাকবে।
Manual7 Ad Code
বাংলাদেশ-ভারতের সম্পর্ক ভালো না থেকে উপায় নেই। আমাদের সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ, আমাদের পরস্পরের ওপর নির্ভরশীলতা এত বেশি এবং ঐতিহাসিকভাবে, রাজনৈতিকভাবে, অর্থনৈতিকভাবে আমাদের এত ক্লোজ সম্পর্ক, সেটা থেকে আমরা বিচ্যুত হতে পারবো না। তবে মাঝখানে কিছু কিছু দ্বন্দ্ব দেখা দিয়েছে, আমি বলেছি মেঘ দেখা দিয়েছে। এই মেঘগুলো মোটামুটি এসেছে অপপ্রচার থেকে। অপপ্রচারের সূত্র কারা সেটা অন্যরা বিচার করবে। কিন্তু এই অপপ্রচারের ফলে আমাদের সঙ্গে একটা ভুল বোঝাবুঝি হয়ে গেছে। সেই ভুল বোঝাবুঝি থেকে আমরা উত্তরণের চেষ্টা করছি।
বিবিসি বাংলা: ভারত সরকারের সাথে আপনার সরাসরি যোগাযোগ হচ্ছে?
Manual7 Ad Code
প্রধান উপদেষ্টা: সবসময় যোগাযোগ হচ্ছে। তারা এখানে আসছে, আমাদের লোকজন সেখানে যাচ্ছে। প্রাইম মিনিস্টার মোদির সঙ্গে আমার প্রথম সপ্তাহেই কথাবার্তা হয়ে গেছে।
Manual8 Ad Code
বিবিসি বাংলা: ইলন মাস্কের সাথে সম্প্রতি আপনার কথা হয়েছে এবং তাকে আপনি বাংলাদেশে আমন্ত্রণও জানিয়েছেন। এটা কি যুক্তরাষ্ট্রের নতুন প্রশাসনের সাথে একটা সম্পর্ক তৈরির চেষ্টা?
প্রধান উপদেষ্টা: এটা মূলত ছিল স্টারলিংক নিয়ে। এটা ব্যবসায়ীক একটা সম্পর্কের বিষয় ছিল। সে বিষয়ে আমরা আলাপ করছি যে, স্টারলিংকের কানেকশনটা আমরা নিতে চাই।