বিয়ানীবাজারে রুপক মৃত্যু রহস্য: ময়নাতদন্ত রিপোর্টের অপেক্ষায় পুলিশ
বিয়ানীবাজারে রুপক মৃত্যু রহস্য: ময়নাতদন্ত রিপোর্টের অপেক্ষায় পুলিশ
editor
প্রকাশিত জুলাই ৮, ২০২৬, ০১:৩৭ অপরাহ্ণ
Manual8 Ad Code
Manual6 Ad Code
স্টাফ রিপোর্টার:
Manual5 Ad Code
বিয়ানীবাজার পৌরশহরের নিজ বাড়ি থেকে দুই হাত পেছনে বাঁধা অবস্থায় সাদিকুল ইসলাম রুপক (২৭) নামের যুবকের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনার কোন কিনারা করতে পারেনি পুলিশ। ঘটনার পর এক মাসের বেশী অতিবাহিত হলেও ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনের অপেক্ষায় আছে মামলার তদন্তকারী সূত্র।
ঘটনাটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা বা কোনো কারণে ঘটেছে, তা নিয়ে সন্দেহ দেখা দিয়েছে।
নিহত সাদিকুল ইসলাম ওরফে রুপক (২৭) বিয়ানীবাজার পৌর এলাকার খাসাড়িপাড়া গ্রামের আবদুল মুক্তাদিরের ছেলে।
পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত ৩১ মে পরিবারের সদস্যরা সাদিকুলের কক্ষের ভেতরে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় তাঁর মরদেহ দেখতে পান। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয়রা জানান, সাদিকুলরা তিন ভাই ও চার বোন। তাঁর দুই ভাই প্রবাসে থাকলেও তিনি পরিবার নিয়ে দেশে বসবাস করতেন। পরিবারের সদস্যরা তাঁর আত্মহত্যার কোনো কারণ জানাতে পারেননি।
ঘটনাস্থল থেকে একটি চিরকুট উদ্ধার করা হয়। সেখানে কয়েকজন ব্যক্তির কাছে টাকা পাওয়ার হিসাব লেখা আছে বলে তৎকালীন সময়ে জানায় পুলিশ।
Manual3 Ad Code
পুলিশের ভাষ্য, মরদেহ উদ্ধারের সময় সাদিকুলের দুই হাত পেছনে বাঁধা ছিল। এ কারণে মৃত্যুর ঘটনাটি সন্দেহজনক বলে মনে হচ্ছে।
পরিবার এটিকে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড দাবি থানায় মামলা দায়ের করেছে। তবে এ ঘটনায় এখনো কাউকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন আসার পর মামলার সার্বিক অগ্রগতি সম্পর্কে বিস্তর জানা যাবে বলে পুলিশ জানায়।
এদিকে বিয়ানীবাজার থানার নবাগত ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু জাফর মাহফুজুল করিম মঙ্গলবার নিহতের পরিবারের সদস্যদের সাথে কথা বলেছেন। তিনি এ সময় মামলার বাদীর সাথেও নানা বিষয়ে আলোচনা করেন। এর আগে বিয়ানীবাজার-গোলাপগঞ্জ নির্বাচনী আসনের সংসদ সদস্য এমরান আহমদ চৌধুরী, একই আসনে গত নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন নিহত রুপকের বাড়িতে গিয়ে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।
Manual1 Ad Code
বিয়ানীবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু জাফর মাহফুজুল করিম বলেন, বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে আরও স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে।