স্টাফ রিপোর্টার:
ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি রোমারিও। সেলেসাওদের চতুর্থ বিশ্বকাপ এনে দিয়েছিলেন তিনি। কিংবদন্তি সাবেক এই ফুটবলার নতুন এক কেলেঙ্কারিতে জড়িয়েছেন। প্রেমিকা টিফানি বারসেলোসের ঘনিষ্ঠ বন্ধুর প্রেমে মজেছেন ৬০ বছর বয়সী এই কিংবদন্তি ফুটবলার। টিফানি নিজেই এমন অভিযোগ করেছেন। রোমারিওর থেকে ৩৫ বছরের ছোট টিফানি।
Manual1 Ad Code
এমন ঘটনাকে ‘ডাবল ধাক্কা’ হিসেবে বর্ণনা করা হচ্ছে। কেননা, সেই নারী টিফানির ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের একজন ছিলেন। এ ঘটনা জানতে পেরে টিফানি দ্রুত রোমারিওর সঙ্গে বিচ্ছেদ করেন। সেইসঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উভয়কে আনফলো করেন এবং তার পোস্ট থেকে এই বিশ্বকাপজয়ীর সব কমেন্ট মুছে দেন।
Manual8 Ad Code
এর আগে, রোমারিও, টিফানি ও তার বন্ধু একসঙ্গে অনেকবারই ভ্রমণ করেছেন এবং সেই ছবিগুলো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেখা গেছে। রোমারিও টিফানির সঙ্গে তার সম্পর্ক কখনোই গোপন রাখতেন না; তিনি নিয়মিত তার প্রশংসা করতেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাকে ‘সুন্দর’ এবং ‘দারুণ’ বলতেন। প্রায় তিন মাস ধরে চলা এই সম্পর্কের মধ্যে তারা বুয়েনস আয়রেসসহ বিভিন্ন স্থানে একসঙ্গে ভ্রমণ করেছিলেন।
Manual3 Ad Code
রোমারিওর প্রেম জীবন কখনোই স্থির ছিল না। টিফানির সঙ্গে চতুর্থ মাসেই বিচ্ছেদের রাগিণী বেজে ওঠার আগে তিনি শিক্ষার্থী অ্যালিসিয়া গোমেসের সঙ্গে সম্পর্ক শেষ করেছিলেন। ২৩ বছর বয়সী অ্যালিসিয়া গোমেসের সঙ্গে কয়েক মাসের সম্পর্কের মাঝেই আরও তিনটি সম্পর্কের তথ্য সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশ পেয়েছে।
Manual7 Ad Code
ফেব্রুয়ারিতে কার্নিভালে টিফানির সঙ্গে প্রথমবার রোমারিওকে হাত ধরে হাঁটতে দেখা গিয়েছিল। এক সপ্তাহ পর রিও’র একটি স্টেকহাউসে তাকে আরেকজন মহিলার সঙ্গে দেখা যায়, যদিও সেখানে কোনো প্রকাশ্য প্রেমের ঘটনা ঘটেনি। এর আগে তিনি প্রাক্তন প্রেমিকা ব্রুনা মাচাদোর সঙ্গে সংক্ষেপে সম্পর্ক পুনঃস্থাপন করেছিলেন। এরপর নভেম্বরে এক ইভেন্টে অংশ নিয়েছিলেন।
খেলোয়াড়ি জীবনে রোমারিও ১৯৮০ ও ১৯৯০-এর দশকে বিশ্বের শীর্ষ স্ট্রাইকারদের একজন ছিলেন। তার ফিনিশিং, পজিশনিং এবং গোল করার স্বভাবের জন্য ইতিহাসের অন্যতম সেরা স্ট্রাইকার হিসেবে গণ্য করা হয় তাকে। ১৯৯৪ সালে তিনি ব্রাজিলকে বিশ্বকাপ জিততে সাহায্য করেছিলেন এবং সেই বছর বিশ্ব সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হন।