রোনালদোর ট্রফি খরা ঘুচতে দিলেন না ১৮ বছরের জাপানি গোলকিপার
রোনালদোর ট্রফি খরা ঘুচতে দিলেন না ১৮ বছরের জাপানি গোলকিপার
editor
প্রকাশিত মে ১৭, ২০২৬, ০৫:২৫ পূর্বাহ্ণ
Manual6 Ad Code
স্পোর্টস ডেস্ক :
আল নাসরে এসে কোনো অফিসিয়াল ট্রফি জেতা হয়নি ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর। গতকাল (শনিবার) সেই খরা কাটানোর দারুণ সুযোগ ছিল। কিন্তু আশ্চর্যজনক হলেও সত্যি, ঘরের মাঠে এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ টু ফাইনালে তার দল হেরে গেছে জাপানিজ ক্লাব গাম্বা ওসাকার কাছে।
Manual8 Ad Code
প্রথম সৌদি দল হিসেবে এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ টু শিরোপা হাতে নেওয়ার জন্য এই ম্যাচে ফেভারিট ছিল আল নাসর। ঘরের দর্শকরা একপেশে জয়ের প্রত্যাশা করেছিল। কিন্তু সবকিছু পাল্টে যায় ৩০তম মিনিটে। যখন ডেনিজ হামেট গড়ে দেন ম্যাচের পার্থক্য। গাম্বা ওসাকা ফরোয়ার্ড তার সতীর্থ ইসাম জাবেলির পাস ধরে নিচু শটে জাল কাঁপান।
Manual8 Ad Code
ম্যাচ নিয়ন্ত্রণে ছিল আল নাসরের। জর্জ জেসাসের দল অধিকাংশ সময় বল দখলে রেখেছিল। কিন্তু তারকা খেলোয়াড়দের একাধিক সুযোগ নষ্টের পর ওই গোলে বড় ধাক্কা লাগে স্বাগতিকদের আত্মবিশ্বাসে। ওসাকা রক্ষণে সংগঠিত থেকে হাফটাইম পর্যন্ত লিড ধরে রাখে।
Manual2 Ad Code
আল নাসরের আক্রমণভাগের দুই তারকা রোনালদো ও সাদিও মানের জন্য রাতটা হতাশার হয়ে থাকল। দুজনেই জাল খুঁজে পেতে সর্বস্ব দিয়েছেন। কিন্তু ওসাকার চমৎকার রক্ষণাত্মক পারফরম্যান্সের কাছে ধরাশায়ী তারা। অষ্টম মিনিটে মানে প্রথম বড় সুযোগ পান। কিন্তু ১৮ বছর বয়সী কিপার রুই আরাকিকে পরাস্ত করার মতো যথেষ্ট জোর ছিল না তার শটে। প্রথমার্ধে কিছু সুযোগ পেয়েছিলেন রোনালদো। কিন্তু জালের দেখা পাননি। পর্তুগিজ ফরোয়ার্ড শেষ দিকে সমতা ফেরানোর খুব কাছে ছিলেন। ৮৬তম মিনিটে তার শট ব্লক করে কর্নার বানান গেন্তা মিউরা।
Manual7 Ad Code
ম্যাচটি একমাত্র গোলে জিতেছে ওসাকা। কিন্তু সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন আরাকি। আল নাসরের অসংখ্য সুযোগ নষ্ট করেছেন তিনি। সৌদি ক্লাব ম্যাচ শেষ করেছে ৬৮ শতাংশ বল দখলে রেখে, শট নিয়েছে মোট ২০টি এবং লক্ষ্যে ছিল ছয়টি। জাপানি গোলকিপার ছয় সেভে আল নাসরকে রুখে দেওয়ার পাশাপাশি বিশ্ব মানচিত্রে নিজেকে তুলে ধরলেন তার পারফরম্যান্স দিয়ে। জোয়াও ফেলিক্স ও ইনিগো মার্তিনেজের সামনে বাধার দেয়াল হয়ে দাঁড়ান আরাকি।
এই তরুণ জাপানি গোলকিপার ওসাকার হয়ে আসল সময়ে দৃশ্যপটে হাজির হয়েছেন। ২২ এপ্রিল দলটির শুরুর একাদশের গোলকিপারের দায়িত্ব নেন। তারপর থেকে তিনটি ম্যাচ ক্লিন শিট ধরে রেখেছেন এবং সাতটি ম্যাচে শুরু করে ছয় ম্যাচেই একটি বা তার কম গোল জালে ঢুকতে দিয়েছেন।