ম্যাচজুড়ে বল দখলে পার্থক্য ছিল উনিশ-বিশ। তবে আক্রমণে এগিয়ে ছিল আইভরি কোস্ট। সবমিলে ২০টি শট নেয় তারা, প্রতিপক্ষের গোলমুখে ছিল ৪টি শট। বিপরীতে মাত্র ১টি অন-শট নিতে পারে ইকুয়েডর।
দু’দলই গোলের একাধিক সহজ সুযোগ মিস করেছে। বেশ কিছু আক্রমণ বারবার প্রতিহত হয়েছে গোলপোস্টে। তবে সব রোমাঞ্চের অবসান ঘটিয়ে শেষ মুহূর্তের এক জাদুকরী গোলে ব্যবধান গড়ে দেন আমাদ দিয়ালো। ৯০ মিনিটে ম্যাচে একমাত্র গোলটি করেন তিনি।
Manual7 Ad Code
দীর্ঘ ১২ বছর পর বিশ্বকাপ মঞ্চে ফিরে আসা আইভরি কোস্টের জন্য এই জয়টি ছিল নিজেদের শক্তির জানান দেওয়া। ম্যাচের শুরু থেকেই আইভরি কোস্টের ইয়ান ডায়মন্ডে প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগের জন্য বড় মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন। তবে ম্যাচের ভাগ্য বদলে যায় বিকল্প খেলোয়াড় হিসেবে আমাদ মাঠে নামার পর।
Manual1 Ad Code
দুর্দান্ত এক বাঁকানো শটে ইকুয়েডরের গোলরক্ষক হের্নান গালিন্দেজকে পরাস্ত করে বল জালে জড়ান আমাদ। তার চোখধাঁধানো গোলেই উল্লাসে মাতে আইভরি কোস্ট শিবির। ইকুয়েডরের জন্য ম্যাচটি ছিল ভীষণ দুর্ভাগ্যের। পুরো ম্যাচে দু’দুবার বল পোস্টে লাগা আর একাধিক সুযোগ নষ্ট করার পর, ফিলাডেলফিয়া থেকে খালি হাতে ফিরতে হয়েছে তাদের।