স্পোর্টস ডেস্ক:
আক্রমণ-প্রতি আক্রমণ, বল দখল কিংবা গোলে শট—বায়ার্ন মিউনিখের ধারেকাছে কোথাও ছিল না সেল্টিক। কিন্তু ফুটবল গোলের খেলা। সেই গোলটি আগেভাগে পেয়ে যায় স্কটিশ ক্লাবটি। তবে ধারা ধরে রাখতে পারেনি। ফুটবলের নির্মমতা হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছে ব্রেন্ডন রজার্সের শিষ্যরা। ম্যাচের একেবারে শেষ সময়ে বাভারিয়ানরা তাদের চ্যাম্পিয়ন্স লিগ স্বপ্নও ভেঙেছে।
Manual2 Ad Code
গত সপ্তাহে স্কটিশ দলটির মাঠে ২-১ গোলে জিতেছিল ভিনসেন্ট কোম্পানির দল। আলিয়াঞ্জ অ্যারেনায় বাভারিয়ানদের দাপট দেখানোর ভবিষদ্ব্যনী ছিল। দেখিয়েছেও। ৩৩ বার শট নিয়েছে গোলে, বল গোলমুখে ছিল ১০ বার। সেখানে প্রতিপক্ষ সেল্টিক মোটে ৮ বারের তিনবার রাখে গোলমুখে। গোলটাও তারা সবার আগে পায়। তবে শেষ সময়ে আলফানসো ডেভিসের গোলে রক্ষা পায় স্বাগতিকরা। প্লে-অফের ফিরতি লেগে ১-১ ড্র হয় ম্যাচটি। দুই লেগ মিলিয়ে ৩-২ ব্যবধানে পরের ধাপে উঠেছে বায়ার্ন।
Manual1 Ad Code
ম্যাচের তখন নির্ধারিত সময় শেষে চার মিনিট খেলা চলছে। ইনজুরি টাইমের সেই সময়ে দারুণ দক্ষতায় জাল খুঁজে নেন ডেভিস। ৬৩ মিনিটে দলকে এগিয়ে দেন নিকোলাস গ্রিট কুন। তবে শেষটায় সব হিসেবে এলোমেলো করে দেন ডেভিস। তাতেই পেরেক ঠোকা হয় সেল্টিকের শেষ ষোলোর স্বপ্নে।
Manual5 Ad Code
ম্যাচের শেষে সেল্টিকের গোলরক্ষক ক্যাসপার সিমেচেল বলেছেন, ‘হতাশার, দুঃখের এই হার। ভেবেছিলাম আমরা নায়কোচিত পারফর্ম করছি, খুব সাহসী। কিন্তু, ফুটবল কখনও কখনও নির্মম।’