প্রকাশনার ১৬ বছর

রেজি নং: চ/৫৭৫

১৮ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
৩রা ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
৫ই রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮ হিজরি

কোর্তোয়ার মহাকাব্যিক লড়াইও রক্ষা করতে পারল না রিয়ালকে

editor
প্রকাশিত নভেম্বর ৫, ২০২৫, ০৫:৪৮ পূর্বাহ্ণ
কোর্তোয়ার মহাকাব্যিক লড়াইও রক্ষা করতে পারল না রিয়ালকে

Manual7 Ad Code

স্টাফ রিপোর্টার:
অ্যানফিল্ডে মঙ্গলবার রাতটা ছিল যেন এক নাটক। একপাশে নিরন্তর আক্রমণ, অন্যপাশে একা এক দুর্গ। থিবো কোর্তোয়া নিজের গোলপোস্টকে দেয়ালে পরিণত করেছিলেন। শুরুর ৫০ মিনিট পর্যন্ত তিনি যা করলেন, তাতে রিয়াল মাদ্রিদের সমর্থকদের মনে আশা জেগেছিল ‘আজ হয়তো কোর্তোয়া একাই পয়েন্ট বাঁচাবেন।’

কিন্তু ফুটবল কখনোই কেবল পরিসংখ্যানের খেলা নয়। ৬১ মিনিটে আর্জেন্টাইন তারকা অ্যালেক্সিস ম্যাক-অ্যালিস্টারের মাথা ছুঁয়ে বল জালে গেলে, সেই প্রতিরোধের দেয়াল ভেঙে পড়ে। সোবোসলাইয়ের নিখুঁত ফ্রি কিক থেকে আসা হেডে নিশ্চিত করেন লিভারপুলের ১-০ গোলের জয়।

Manual2 Ad Code

এর আগ পর্যন্ত ম্যাচটা ছিল আসলে ‘লিভারপুল বনাম কোর্তোয়া’। প্রথমার্ধেই চারটি সেভ- ডমিনিক সোবোসলাই, কোডি গাকপো, এমনকি সালাহ- সবাইকে হতাশ করেছেন তিনি। ২৭ মিনিটে সোবোসলাইয়ের কাছাকাছি শট পা বাড়িয়ে ফিরিয়ে দেন, যেন কোনো সিনেমার দৃশ্য।

Manual8 Ad Code

শেষ মুহূর্তেও হাল ছাড়েননি। ৮৬ মিনিটে গাকপোর শট ঠেকানোর পর ফিরতি বলে সালাহর প্রচেষ্টাও রুখে দেন মিলিতাওকে সঙ্গে নিয়ে। কিন্তু সেই এক ভুল—বেলিংহামের অপ্রয়োজনীয় ফাউল- সব পরিশ্রম মাটি করে দিল।

Manual6 Ad Code

রিয়ালের হাতে বল ছিল বেশি, কিন্তু ধার ছিল না। ৬১ শতাংশ দখল, ৮টি শট- তবু পোস্টে মাত্র দুইবার। বিপরীতে লিভারপুলের আক্রমণ ছিল ধারালো, ১৭ শটের ৯টি লক্ষ্যভেদী।

Manual6 Ad Code

তিন বছর আগের ফাইনালের পর আবারও কোর্তোয়া নায়ক হয়েছেন অ্যানফিল্ডে, কিন্তু এবার জয়ের নায়ক তিনি নন।

শেষে হাসল লিভারপুল, কিন্তু দর্শকরা মনে রাখবে সেই লম্বা বেলজিয়ানকে- যিনি প্রায় একাই রিয়ালকে বাঁচিয়ে রাখছিলেন।

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১৩১৫১৬
১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭৩০
৩১  

Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code