দেশে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের পরিবেশ এখনো সৃষ্টি হয়নি: জামায়াত
দেশে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের পরিবেশ এখনো সৃষ্টি হয়নি: জামায়াত
editor
প্রকাশিত জানুয়ারি ৫, ২০২৬, ০১:২৫ অপরাহ্ণ
Manual1 Ad Code
স্টাফ রিপোর্টার:
দেশে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের পরিবেশ এখনো সৃষ্টি হয়নি বলে মনে করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ। দলটির দাবি, প্রশাসনের মধ্যে কিছু সরকারি কর্মকর্তার পক্ষপাতিত্বের কারণে একাধিক জায়গা থেকে অভিযোগ আসছে যে তারা একটি বিশেষ দলের পক্ষে কাজ করছে। এছাড়া দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রকাশ্য দিবালোকে রাজনৈতিক নেতা-কর্মীদের হত্যা চালানো হচ্ছে।
Manual4 Ad Code
সোমবার (৫ জানুয়ারি) বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। জামায়াত ডা. শফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে সংগঠনের মগবাজারে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে সংগঠনের নায়েবে আমির, সেক্রেটারি জেনারেল এবং সহকারী সেক্রেটারি জেনারেলসহ কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে আসন্ন গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। সভায় প্রকাশ করা হয় যে, দেশে এখনও অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টি হয়নি। প্রশাসনের কিছু সরকারি কর্মকর্তার পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ বিভিন্ন স্থানে এসেছে। এছাড়া দেশের বিভিন্ন এলাকায় প্রকাশ্য দিবালোকে রাজনৈতিক নেতা-কর্মীদের হত্যা চালানো হচ্ছে।
দীর্ঘ ১৬ বছরের আন্দোলন ও সংগ্রামের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদ বিদায় নিয়েছে। দেড় হাজার শহীদ, ত্রিশ হাজারের বেশি আহত ও পঙ্গুত্ববরণের মধ্য দিয়ে অর্জিত এই প্রিয় নতুন বাংলাদেশকে কোনো চক্রান্ত, ষড়যন্ত্র বা কোনো গোষ্ঠীর হাতে জিম্মি হতে দেওয়া যাবে না—এমন আশঙ্কা ও অঙ্গীকার বৈঠকে ব্যক্ত করা হয়।
Manual2 Ad Code
নির্বাচন কমিশন এবং এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নির্বাচন কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত বাহিনীকে সর্বোচ্চ নিরপেক্ষতা বজায় রেখে এবং বিশেষ কোনো দলের দিকে ঝুঁকে না পড়ে সঠিকভাবে দায়িত্ব পালনের জন্য কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের পক্ষ থেকে আহ্বান জানানো হয়।
Manual8 Ad Code
অবাধ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করার জন্য প্রশাসনের নিরপেক্ষতা শতভাগ নিশ্চিত করে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির আশানুরূপ উন্নতি করার জন্য কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের পক্ষ থেকে নির্বাচন কমিশন ও সরকারের কাছে জোর দাবি জানানো হয়েছে।