প্রকাশনার ১৬ বছর

রেজি নং: চ/৫৭৫

২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১১ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
১৫ই রবিউস সানি, ১৪৪৮ হিজরি

বিয়ানীবাজারে হারিয়েছে কার্ড, ভার্চুয়াল শুভেচ্ছায় কাটবে ঈদ

editor
প্রকাশিত মার্চ ১৯, ২০২৬, ০৯:৩৮ পূর্বাহ্ণ
বিয়ানীবাজারে হারিয়েছে কার্ড, ভার্চুয়াল শুভেচ্ছায় কাটবে ঈদ

Manual3 Ad Code

 

মিলাদ জয়নুল:

এক সময় ঈদ এলেই বিয়ানীজারের দেকানগুলোতে দেখা যেত রঙিন ঈদ কার্ডের বাহার। দোকানের সামনে ভিড়, ছোটদের কার্ড বাছাই নিয়ে হইচই। এমনকি কে আগে কার্ড কিনবে তা নিয়ে ছিল নিত্যদিনের প্রতিযোগিতা। কিন্তু সময়ের পরিবর্তনে সেই চিত্র এখন প্রায় হারিয়ে গেছে। আধুনিক প্রযুক্তির ছোঁয়ায় ফোনের ক্ষুদেবার্তা ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময়ের প্রবণতায় হারিয়েছে ঈদ কার্ডের সংস্কৃতি। বিয়ানীবাজারে পুরনো কার্ডের বদলে ভার্চুয়াল শুভেচ্ছা জানানোর প্রবণতা অনেক বেড়েছে।

 

Manual2 Ad Code

বিয়ানীবাজার পৌরশহরের কলেজ রোড এলাকায় ঘুরে দেখা যায়, কয়েকটি লাইব্রেরীতে এখনও ঈদ কার্ড সাজিয়ে রাখা হলেও ক্রেতার উপস্থিতি নেই। দোকানগুলোতে নেই আগের মতো ভিড় বা উৎসবের আমেজ। বিভিন্ন ধরনের ঈদ কার্ড ২০ টাকা থেকে শুরু করে ৩০০ টাকা পর্যন্ত দামে বিক্রির জন্য রাখা হয়েছে।

উত্তর বাজার মসজিদ মার্কেটের একটি কম্পিউটারের দোকানে গিয়ে দেখা যায়, গ্রাফিক্স ডিজাইনের মাধ্যমে ফেসবুকে আপলোড করতে ঈদ শুভেচ্ছা ফেস্টুন-কার্ড তৈরী করা হচ্ছে।

গত ২-৩দিন থেকে এরকমভাবে স্থানীয় রাজনৈতিক ও সমাজিক ব্যক্তিবর্গ নিজস্ব ফেসবুক আইডি থেকে গ্রাফিক্স ডিজাইন করা ঈদ শুভেচ্ছা ছড়িয়ে দিচ্ছেন। তাছাড়া মোবাইলে মেসেজ বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঈদের শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন। ফলে কার্ডের সেই আলাদা ভালোবাসা আর অনুভূতিটা ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছে।

 

Manual5 Ad Code

তবে এর মধ্যেও ব্যতিক্রম দেখা গেল। কার্ড কিনতে আসা কলেজ শিক্ষার্থী সুমাইয়া বলেন, আমি দুলাভাইকে দেয়ার জন্য ঈদ কার্ড কিনতে এসেছি। ঈদের আনন্দের সময় প্রিয়জনকে কার্ড দিলে একটা আলাদা অনুভূতি কাজ করে।

এক সময়ের কার্ডের পাইকারী বিক্রেতা আব্দুল কাদির বলেন, এখন আর ঈদ কার্ডের বেচাকেনা নেই। ছোট বাচ্চারাও এখন মোবাইলেই ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নেয়। আগে দোকানে অনেক কার্ড বিক্রি হতো, তখন আমরা এই ব্যবসার ওপরই নির্ভর করতাম। এখন আর নতুন কার্ডও আনি না, কারণ চাহিদা কমে গেছে।

Manual6 Ad Code

 

Manual1 Ad Code

পুস্তক বিক্রেতা এনামুল মজিদ মাসুম বলেন, মোবাইল ফোন আর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের কারণে ঈদ কার্ডের বিক্রি কমে গেছে। মানুষ এখন দ্রুত ও সহজভাবে অনলাইনে শুভেচ্ছা জানাতে অভ্যস্ত হয়ে গেছে। ফলে হাতে লেখা বা হাতে দেওয়া কার্ডের সেই ঐতিহ্য ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছে।

তবে অনেকেই বলছেন, প্রযুক্তির এই যুগেও হাতে লেখা একটি ঈদ কার্ডে যে আন্তরিকতা ও আবেগ থাকে, তা কোনো ডিজিটাল বার্তায় পাওয়া যায় না। তাই এই ঐতিহ্যকে ধরে রাখতে নতুন প্রজন্মকে আবারও ঈদ কার্ড বিনিময়ের সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত করার প্রয়োজন রয়েছে।

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 ১২৩৪৫
৭৮৯১০১১১১৩
৪১৫১৬১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৯৩০  

Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code