জীবনের সবচেয়ে কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হচ্ছেন ইসলামী বক্তা মাদানী!
জীবনের সবচেয়ে কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হচ্ছেন ইসলামী বক্তা মাদানী!
editor
প্রকাশিত মে ৬, ২০২৬, ১১:২১ পূর্বাহ্ণ
Manual5 Ad Code
স্টাফ রিপোর্টার:
গোনাহ থেকে বেঁচে থাকতে দ্বিতীয় বিয়ের মতো জীবনের সবচেয়ে কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছেন আলোচিত ইসলামি বক্তা মাওলানা রফিকুল ইসলাম মাদানী। নিজেকে কোনো হোটেল, পার্ক কিংবা অন্ধকার কোনো পথে খুঁজে না পেতেই তিনি এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
বুধবার (৬ মে) সকাল ১০টায় সামাজিক যোগাযোগামাধ্যমে দেওয়া স্ট্যাটাসে তিনি এ কথা বলেন।
Manual4 Ad Code
ফেসবুক পোস্টে রফিকুল ইসলাম মাদানী বলেন, ‘আমি আমার আল্লাহকে ভয় করি… গোনাহ থেকে বেঁচে থাকতে চাই। এই চাওয়াটাই আমাকে জীবনের সবচেয়ে কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করেছে—দ্বিতীয় বিয়ে।’
Manual6 Ad Code
তিনি লিখেন, ‘এই সমাজে কত মানুষ আছে, যারা বিবাহিত হয়েও হারাম সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে, গোপনে গো*না*হ করে। আমি সেই পথের একজন হতে চাইনি। আমি চাইনি নিজেকে কোনো হোটেল, পার্ক কিংবা অন্ধকার কোনো পথে খুঁজে পাই। আমি চেয়েছি হালালের মধ্যে থাকতে, আল্লাহর বিধানের মধ্যে থাকতে।’
তিনি আরও লিখেন, ‘জানি, আমার এই সিদ্ধান্তে আমার প্রথম আহলিয়ার কষ্ট হয়েছে… হচ্ছে। এটা ভাবলেই আমার বুকটা ভেঙে যায়। তবুও আমি বিশ্বাস করি, এটি কোনো মানুষের বানানো নিয়ম নয়—এটি আমাদের সবার রবের বিধান। তিনি যা হালাল করেছেন, সেটাকেই আঁকড়ে ধরতে চেয়েছি।’
আলোচিত এ ইসলামি বক্তা লিখেন, ‘কিছুদিন ধরে আমি তাকে বুঝিয়েছি… অসংখ্য রাত আমি আল্লাহর কাছে কেঁদে দোয়া করেছি—যেন তাঁর মনটা নরম হয়, যেন তিনি বিষয়টি মেনে নিতে পারেন। কখনো মনে হয়েছে তিনি বুঝছেন, আবার হঠাৎই ভেঙে পড়েছেন, না বলে দিয়েছেন। আমাদের আড়াই বছরের সংসার… আলহামদুলিল্লাহ, সেখানে কখনো কোনো অভিযোগ ছিল না। আমরা দু’জনই একে অপরের সুখের কারণ ছিলাম। যারা আমাদের চেনে, তারা জানে—আমরা কতটা ভালো ছিলাম একসাথে। আজ সেই ভালোবাসার মাঝেই এসেছে এক কঠিন পরীক্ষা।’
Manual6 Ad Code
ইনসাফ করা—এটাই সবচেয়ে বড় শর্ত উল্লেখ করে রফিকুল ইসলাম লিখেন, ‘আর আমি আল্লাহর কাছে মাথা নত করে দোয়া করি, যেন তিনি আমাকে সেই তাওফিক দেন। যেন আমি কারো হক নষ্ট না করি, কারো প্রতি জু*লু*ম না করি। আপনাদের সকলের কাছে দোয়া চাই— আল্লাহ তা‘আলা যেন আমার দুই পরিবারকে ধৈর্য দান করেন, তাদের অন্তরে প্রশান্তি দেন, এবং এই বিষয়টি সহজভাবে মেনে নেওয়ার তাওফিক দেন। আর আমাকে এমন তাওফিক দিন, যেন আমি সত্যিই ইনসাফের সাথে, তাঁর সন্তুষ্টির জন্যই আমার সংসার পরিচালনা করতে পারি।’