‘পুশইন’ ঠেকাতে সীমান্তে বিজিবিকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
‘পুশইন’ ঠেকাতে সীমান্তে বিজিবিকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
editor
প্রকাশিত মে ৬, ২০২৬, ১২:৪৪ অপরাহ্ণ
Manual2 Ad Code
স্টাফ রিপোর্টার:
ভারতের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের পর উদ্ভূত পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ সীমান্তে নজরদারি জোরদার করতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশকে (বিজিবি) নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বুধবার (৬ মে) চার দিনব্যাপী জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনের শেষ দিনে বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এই তথ্য জানান।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনের পর সেখানে রাজনৈতিক উত্তেজনা বিরাজ করছে। এর ফলে বাংলাদেশে কোনো ধরনের অনুপ্রবেশ বা ‘পুশইন’ হওয়ার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। যদিও এখন পর্যন্ত বড় কোনো উদ্বেগজনক পরিস্থিতি তৈরি হয়নি, তবুও আগাম সতর্কতা হিসেবে বিজিবিকে সীমান্ত এলাকায় কড়া নজরদারি ও সতর্ক অবস্থানে থাকতে বলা হয়েছে।
ডিসি সম্মেলনের শেষ দিনের বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জেলা প্রশাসকদের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দিয়েছেন। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো মামলা প্রত্যাহার: বিগত সময়ের রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও হয়রানিমূলক মামলাগুলো প্রত্যাহারের জন্য আগামী এক মাসের মধ্যে তালিকা প্রস্তুত করতে ডিসিদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
Manual7 Ad Code
অস্ত্র উদ্ধার: যাদের অস্ত্রের লাইসেন্স অবৈধ হয়ে গেছে বা নিয়ম লঙ্ঘন করা হয়েছে, সেই সব অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। জুলাই আন্দোলনের মামলা: জুলাই গণঅভ্যুত্থান সংশ্লিষ্ট মামলাগুলোর একটি সঠিক তালিকা তৈরির নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
Manual4 Ad Code
আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে ঘরমুখো মানুষের যাত্রা নিরাপদ করতে স্থানীয় প্রশাসনকে বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। মহাসড়ক ও রেলপথে অপরাধ রোধে পুলিশ সদস্যদের ‘বডি ক্যামেরা’ ব্যবহারের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। এছাড়া জাল টাকা শনাক্ত করতে মেশিন সরবরাহ এবং ফেরিঘাটে বাসের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তদারকি বাড়ানোর কথা জানান মন্ত্রী।
Manual7 Ad Code
মাদক ও অনলাইন জুয়াকে সামাজিক ব্যাধি হিসেবে উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এসব অপরাধ দমনে অভিযান অব্যাহত থাকবে। বিশেষ করে অনলাইন জুয়াসহ প্রযুক্তি ব্যবহার করে হওয়া অপরাধগুলো কঠোরভাবে দমনে সরকার নতুন আইন প্রণয়ন করছে। সাইবার জগতকে নিরাপদ রাখতে এবং তরুণ প্রজন্মকে রক্ষা করতে প্রশাসনকে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণের নির্দেশ দেন তিনি।