পুঁথিগত নয়, শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী বিষয়ে মনোযোগ দিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী
পুঁথিগত নয়, শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী বিষয়ে মনোযোগ দিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী
editor
প্রকাশিত মে ১২, ২০২৬, ০৬:৩৯ পূর্বাহ্ণ
Manual3 Ad Code
স্টাফ রিপোর্টার:
পুঁথিগত নয়, শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী বিষয়ে মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, শুধু পুঁথিগত শিক্ষায় সীমাবদ্ধ থাকলে প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে টিকে থাকা কষ্টসাধ্য হবে।
মঙ্গলবার (১২ মে) বেলা ১১টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে ইউজিসির জাতীয় কর্মশালায় তিনি এসব কথা বলেন। বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়ন ও টেকসই রূপান্তর নিয়ে ইউজিসির জাতীয় কর্মশালার উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।
Manual3 Ad Code
তারেক রহমান বলেন, মেধা পাচার নয়, মেধা লালন করে ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে চায় সরকার। এমন একটি শিক্ষ ব্যবস্থা তৈরি করতে চাই, যেখানে শিক্ষার্থীরা বিকশিত হবেন।
Manual6 Ad Code
প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিক্ষার পাশাপাশি দক্ষতা অর্জন না করার কারণে বেকারত্ব বেশি। তাই একাডেমিক সিলেবাসকে সময়পোযোগী করার কাজ শুরু হয়েছে।
তারেক রহমান বলেন, প্রাথমিক থেকে উচ্চশিক্ষা স্তরে কারিকুলাম নতুন করে সাজানো সময়ের দাবি। কলেজ থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে ইনোভেশন গ্রান্ড দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। এছাড়া স্কুল পর্যায় থেকেই কারিগরি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করতে যাচ্ছে সরকার।
Manual3 Ad Code
সরকারপ্রধান বলেন, শিক্ষার্থীরা হলো বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণ, আর অ্যালামনাইরা হলো তার মেরুদণ্ড।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের যেসব সাবেক শিক্ষার্থী দেশে-বিদেশে প্রতিষ্ঠিত, তাদের শিক্ষা ও গবেষণা উন্নয়নে সম্পৃক্ত করার জন্য তিনি শিক্ষাবিদদের প্রতি বিনীত আহ্বান জানান।
তারেক রহমান বলেন, আরও একটি বিষয়ের দিকে আমি আপনাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই। বিশ্ববিদ্যালয়গুলো থেকে প্রতিবছর লক্ষ লক্ষ শিক্ষার্থী বের হয়। উচ্চ শিক্ষা নিয়েও অনেককে বেকার থাকতে হয়। অর্থাৎ বেকারত্বের সংখ্যা উচ্চ শিক্ষিতদের মধ্যে বেশি। এর কারণ সম্পর্কে নানামত রয়েছে। তবে এ ব্যাপারে অনেকেই একমত, একাডেমিক শিক্ষা অর্জনের পাশাপাশি দক্ষতা অর্জন করতে না পারাই শিক্ষিত মধ্যে বেকারত্বের হার বেশির অন্যতম কারণ।
তিনি বলেন, বর্তমান সরকার মনে করে, প্রাথমিক সিলেবাসে থেকে শুরু করে উচ্চতর পর্যায় পর্যন্ত আমাদের শিক্ষা কারিকুলাম ঢেলে সাজানো এখন সময়ের দাবি। নৈতিক মূল্যবোধসম্পন্ন কর্মমুখী শিক্ষা ছাড়া বেকারত্ব নিরসন সম্ভব নয়। সময়োপযোগী শিক্ষা কারিকুলাম ছাড়া বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা সম্ভব নয়। এ কারণেই বর্তমান সরকার একাডেমিক সিলেবাসকে সময়োপযোগী করার কাজ শুরু করেছে।
Manual2 Ad Code
তিনি আরও বলেন, বিশেষ করে উচ্চ শিক্ষা ব্যবস্থাকে সময়োপযোগী করতে বর্তমান সরকার এপ্রেন্টিসশিপ, ইন্টার্নশিপ এবং ইন্ড্রাস্ট্রি-একাডেমিয়া সহযোগিতা বাড়ানোর জন্য কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। প্রাথমিকভাবে বিভাগীয় শহরগুলোতে অবস্থিত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে স্থানীয় শিক্ষা ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সম্পর্ক স্থাপন করে এই কার্যক্রম শুরু করা হচ্ছে। ফলে শিক্ষার্থীগণ পুঁথিগত বিদ্যা অর্জনের পাশাপাশি হাতে কলমে শিক্ষা লাভ করে শিক্ষার্থী অবস্থাতেই কর্মদক্ষতা অর্জন করতে সক্ষম হবেন। ফলে শিক্ষা জীবন শেষে তাকে আর বেকার থাকতে হবে না।