নিজস্ব প্রতিবেদক:
সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীকে আটকে রেখে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের মামলায় একজনকে মৃত্যুদণ্ড এবং তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে মামলার অপর চার আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে। এদিকে আদালত যাবজ্জীবন কারাদন্ডপ্রাপ্ত আসামী ৩জনের জরিমানার সাড়ে ৪ লাখ টাকা ভিকটিমের পরিবারের সদস্যদের দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দুপুরে সিলেটের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক স্বপন কুমার সরকার এ রায় ঘোষণা করেন।
Manual6 Ad Code
আদালত সূত্র জানায়, রায়ে মামলার প্রধান আসামি সাইফুর রহমানকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া শাহ মাহবুবুর রহমান রনি, তারেকুল ইসলাম ও অর্জুন লস্করকে যাবজ্জীবন কারাদন্ডের পাশাপাশি তাদের প্রত্যেককে অতিরিক্ত একলাখ টাকা অর্থদন্ড এবং অপর একটি ধারায় ১৪ বছরের সশ্রম কারাদন্ডের পাশাপাশি আরও ৫০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদন্ডে দন্ডিত করেন আদালত। জরিমানার টাকা ভিকটিমকে দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
Manual2 Ad Code
সেই সাথে ঘটনার সময় জব্দকৃত আলামত ঢাকা মেট্রো ভ-০২-১৩৬২ প্রাইভেট কারটি এজহারকারী ব্যক্তিকে ফেরত দেয়ারও নির্দেশ দেয়া হয়। এছাড়া জব্দকৃত লাল রংয়ের পুরাতন পালসার মোটরসাইকেলটির কেউ দাবিদার না থাকায় তা রাষ্ট্র বরাবর বাজেয়াপ্ত করেন আদালত। সেই সাথে অপর জব্দকৃত আলামত নকিয়া ব্রান্ডের মোবাইল দুটি আসামী সাইফুর রহমানের ব্যক্তিগত সম্পদ হিসাবে তার কক্ষ থেকে জব্দ হওয়া মোবাইলগুলো তার পরিবারকে ফেরত দেয়ারও আদেশ দেন বিচারক।
অন্যদিকে, পর্যাপ্ত প্রমাণ না পাওয়ায় আইনুদ্দিন (আইনুল), মিসবাউল ইসলাম (রাজন), রবিউল এবং মাহফুজুর রহমানকে অভিযোগ থেকে খালাস দিয়েছেন আদালত। অন্য কোন মামলায় আটকাদেশ না থাকলে তাদেরকে এখনই অবমুক্ত করার আদেশ দেন আদালত। রায় ঘোষণার সময় চার দণ্ডপ্রাপ্তসহ আট আসামিই আদালতে উপস্থিত ছিলেন।