প্রকাশনার ১৬ বছর

রেজি নং: চ/৫৭৫

২৬শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১১ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
১২ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

দোয়ারাবাজারে কবিরাজ গয়েছ অপহরণ

editor
প্রকাশিত জুলাই ২৫, ২০২৬, ০৯:৩৫ পূর্বাহ্ণ
দোয়ারাবাজারে কবিরাজ গয়েছ অপহরণ

Manual5 Ad Code

দোয়ারাবাজার প্রতিনিধি :
সুনামগঞ্জের বিজ্ঞ আদালতের নির্দেশে দোয়ারাবাজারে অপহৃত কবিরাজ গয়েছ মিয়ার খোঁজে ও মামলা তদন্তে মাঠে নামছে গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।

Manual5 Ad Code

কবিরাজ গয়েছ মিয়া অপহরণ ও গুমের ঘটনায় নামাঙ্কিত ১১ জনসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৬-৭ জনের বিরুদ্ধে তার পিতা আব্দুর রহিম সুনামগঞ্জের আমল গ্রহণকারী জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা দেন। যা ১৮৬০ সালের পেনাল কোডের ৩৬৪/৩৪ ধারায় সিআর মামলা নং-২৬৪/২৬।

মামলার এজাহারে বর্ণিত, উপজেলার বাজিতপুর গ্রামের উত্তরে জঙ্গলঘেঁষা একটি বটবৃক্ষের নিচে কুঁড়েঘর বানিয়ে দীর্ঘদিন ধরে কবিরাজি চিকিৎসাসেবায় নিয়োজিত ছিলেন ভূমিহীন গয়েছ মিয়া। এদিকে তার চিকিৎসাসেবায় ঈর্ষান্বিত হয়ে তাকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসছিল স্থানীয় একটি প্রভাবশালী গোষ্ঠী। জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে নিখোঁজ গয়েছ মিয়া গত ২২ জুন দোয়ারাবাজার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবরে একটি লিখিত অভিযোগ দেন। ​এর দুদিন পর গত ২৪ জুন ভোরে আসামিরা রামদা, ডেগার, লোহার রডসহ দেশীয় অস্ত্রসহ তার কুঁড়েঘরে হামলা চালায় প্রতিপক্ষের লোকজন। পরদিন সকালে কবিরাজ গয়েছের কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে গয়েছ মিয়ার মা-বাবাসহ ঘটনাস্থলে গিয়ে কুঁড়েঘরের ভেতরে গয়েছের শোয়ার তোষকে (বিছানায়) তাজা রক্তের ছাপ দেখতে পান। পরবর্তীতে আদালতে মামলা দেন নিখোঁজ গয়েছের পিতা আব্দুর রহিম।

মামলার নামাঙ্কিত আসামিরা হলেন— বাজিতপুর গ্রামের বাসিন্দা কামাল উদ্দিন (৫৫), রুহুল আমিন রুপাই (৫২), কাদির মিয়া (২৮), জিয়াউল হক (৪০), আলামিন সিরাজী (৩০), কর্ণেল (২৫), হাবিবুর রহমান (২৩), আশিক মিয়া (৩২), আনফর আলী (৪৫), পাপলু মিয়া (২২) এবং রাজীব মিয়া (২৫)।

Manual8 Ad Code

ভিকটিমের পিতা অশ্রুসিক্ত আব্দুর রহিম শঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, ‌‘আমার ছেলে গয়েছ মিয়াকে জীবিত বা মৃত দ্রুত উদ্ধার করে আসামিদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোর দাবি জানাই।’

Manual6 Ad Code

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১
১৩১৫১৬১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭৩০৩১  

Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code