নিজস্ব প্রতিবেদক:
সিলেট মহানগরীর দক্ষিণ সুরমা উপজেলার মোগলাবাজার থানাধীন সিলাম এলাকায় ঘর থেকে ডেকে নিয়ে এক যুবককে খুন করা হয়েছে বলে জানা গেছে। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) রাত সাড়ে দশটার দিকে সিলাম ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মুক্তারপুর গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।
নিহত যুবক বাতির আলী। সে দক্ষিণ সুরমা উপজেলার মোগলাবাজার থানাধীন সিলাম এলাকার মুক্তারপুর গ্রামের মৃত ছৈদ মিয়ার ছেলে।
Manual1 Ad Code
জানা যায়, মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) রাতে দক্ষিণ সুরমা উপজেলার মোগলাবাজার থানাধীন সিলাম এলাকার মুক্তারপুর গ্রামে বাতির আলীকে ঘর থেকে ডেকে নিয়ে আসেন কয়েকজন যুবক। এসময় তারা বাতির আলীকে মারধর করে মৃত ভেবে তার বাড়ির পাশে ফেলে আসে। এসময় স্থানীয় কয়েকজন মহিলা আওয়াজ ও লোকজনের চলাচল দেখে শোর-চিৎকার করলে তখন আসপাশের লোকজন এবং তার পরিবারের সদস্যরা এগিয়ে আসেন।
তখন তাৎক্ষনিকভাবে স্থানীয়রা বাতির আলীকে দ্রুত উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে কর্তব্যরাত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহতের ফুফু সিলাম ইউনিয়নের ১,২,৩ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মহিলা সদস্য সাবিনা আক্তার আসমা মোগলাবাজার থানা পুলিশকে অবহিত করলে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। পরবর্তীতে ওসমানী হাসপাতালের জরুরি বিভাগ থেকে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।
Manual8 Ad Code
সিলাম ইউনিয়নের ১,২,৩ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মহিলা সদস্য সাবিনা আক্তার আসমা বলেন, পূর্ব পরিকল্পিতভাবে বাতিরকে হত্যা করা হয়েছে। তিনি এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার করে সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানান। নিহতের মৃতদেহ ময়না তদন্ত শেষে দাফন-কাপনের পর এ ব্যাপারে পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় অভিযোগ দেওয়া হবে।
Manual7 Ad Code
মোগলাবাজার পুলিশ জানায়, সিলাম মুক্তারপুরে মারপিটের অভিযোগ বাতির আলী নামক যুবক নিহতের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। নিহতের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজের মর্গে প্রেরণ করেছে। আর এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতারে পুলিশী অভিযান অব্যাহত আছে ।
Manual4 Ad Code
এই বিষয়ে বক্তব্যের জন্য মোগলাবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামসুল হাবিবের মুঠোফোনে কল দিলে তাকে পাওয়া যায় নি।
সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (মিডিয়া) মো. মনজুরুল আলম বলেন,‘মারামারিতে এক যুবকের মৃত্যুর ঘটনায় মোগলাবাজার থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। পরবর্তীতে ওসমানী হাসপাতালের জরুরি বিভাগ থেকে লাশ ময়নাতদন্ত শেষ করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত কেউ কোনো অভিযোগ দায়ের করেন নি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’