কবিরাজ গয়েছ মিয়া অপহরণ ও গুমের ঘটনায় নামাঙ্কিত ১১ জনসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৬-৭ জনের বিরুদ্ধে তার পিতা আব্দুর রহিম সুনামগঞ্জের আমল গ্রহণকারী জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা দেন। যা ১৮৬০ সালের পেনাল কোডের ৩৬৪/৩৪ ধারায় সিআর মামলা নং-২৬৪/২৬।
Manual4 Ad Code
মামলার এজাহারে বর্ণিত, উপজেলার বাজিতপুর গ্রামের উত্তরে জঙ্গলঘেঁষা একটি বটবৃক্ষের নিচে কুঁড়েঘর বানিয়ে দীর্ঘদিন ধরে কবিরাজি চিকিৎসাসেবায় নিয়োজিত ছিলেন ভূমিহীন গয়েছ মিয়া। এদিকে তার চিকিৎসাসেবায় ঈর্ষান্বিত হয়ে তাকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসছিল স্থানীয় একটি প্রভাবশালী গোষ্ঠী। জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে নিখোঁজ গয়েছ মিয়া গত ২২ জুন দোয়ারাবাজার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবরে একটি লিখিত অভিযোগ দেন। এর দুদিন পর গত ২৪ জুন ভোরে আসামিরা রামদা, ডেগার, লোহার রডসহ দেশীয় অস্ত্রসহ তার কুঁড়েঘরে হামলা চালায় প্রতিপক্ষের লোকজন। পরদিন সকালে কবিরাজ গয়েছের কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে গয়েছ মিয়ার মা-বাবাসহ ঘটনাস্থলে গিয়ে কুঁড়েঘরের ভেতরে গয়েছের শোয়ার তোষকে (বিছানায়) তাজা রক্তের ছাপ দেখতে পান। পরবর্তীতে আদালতে মামলা দেন নিখোঁজ গয়েছের পিতা আব্দুর রহিম।
ভিকটিমের পিতা অশ্রুসিক্ত আব্দুর রহিম শঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, ‘আমার ছেলে গয়েছ মিয়াকে জীবিত বা মৃত দ্রুত উদ্ধার করে আসামিদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোর দাবি জানাই।’