প্রকাশনার ১৬ বছর

রেজি নং: চ/৫৭৫

২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১১ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
১৫ই রবিউস সানি, ১৪৪৮ হিজরি

সিলেটে ট্রলের শিকার সেই নারী শিক্ষিকার পাশে দেশের হাজারো সহকর্মী

editor
প্রকাশিত জুলাই ২৬, ২০২৬, ০৫:৫৩ পূর্বাহ্ণ
সিলেটে ট্রলের শিকার সেই নারী শিক্ষিকার পাশে দেশের হাজারো সহকর্মী

Manual6 Ad Code

নিউজ ডেস্ক:
হালকা বাতাস। সেই বাতাসে আঁচল উড়িয়ে অল্প অল্প হাঁটছেন এক নারী। ব্যাকগ্রাউন্ডে বাজছে বাংলাদেশের ব্যান্ড সংগীতের ইতিহাসে অন্যতম জনপ্রিয় গান ‘শ্রাবণের মেঘগুলো জড়ো হলো আকাশে’।

Manual5 Ad Code

ভিডিওতে যাকে দেখা যাচ্ছে, পেশায় তিনি সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার পিটাইটিকর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা। নাম বিউটি রাণী পাল। তার নিরীহ এই ভিডিও নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একাংশের সমালোচনা শুরু হয়। এরই প্রতিবাদে দেশের বিভিন্ন এলাকার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকারা একই গানে রিলস তৈরি করে ফেসবুকে পোস্ট করছেন।

গত দুই দিনে ফেসবুকে ডিফরেন্ট টাচের এই সিগনেচার গান ব্যবহার করে হাজার হাজার শিক্ষিকা রিলস পোস্ট করেছেন। এসব ভিডিওতে তাদের কর্মস্থল, বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ কিংবা ব্যক্তিগত পরিবেশে হাঁটতে দেখা যাচ্ছে।

তারা লিখছেন, শিক্ষকতার পেশাগত পরিচয়ের পাশাপাশি ব্যক্তিগত অনুভূতি ও সৃজনশীল প্রকাশের স্বাধীনতাও সম্মান পাওয়ার দাবি রাখে।

মজার ব্যাপার হলো এই শ্রাবণ মাসের মতোই ১৯৮৭ সালের আরেক শ্রাবণে খুলনায় বসে গানটি লিখেছিলেন গীতিকার ও সুরকার আশরাফ বাবু। রোমান্টিক ধাঁচের গানটি এত বছর বাদে এই শ্রাবণে হয়ে গেল প্রতিবাদের ভাষা!

Manual2 Ad Code

সামিয়া শিকদার নামের এক শিক্ষিকা ফেসবুকে লিখেছেন, ‘বিউটি রাণী পাল ম্যাডামকে হেনস্তার চেষ্টা সফল হয়নি। আজ প্রতিটি সাহসী শিক্ষকই একেকজন বিউটি রাণী পাল। আমরা মাথা নত করব না, সম্মান নিয়ে এগিয়ে যাব।’

কুমিল্লার শিক্ষিকা লায়লা নূর পিংকি একই গানে ভিডিও পোস্ট করে লিখেছেন, ‘আজ কেন মন উদাসী হয়ে’ গানের ভিডিওর কারণে দেশবাসী অন্তত কিছুটা হলেও লায়লা, মামুন আর চাচাদের কটাক্ষপূর্ণ ভিডিও থেকে মুক্তি পেয়েছে। সে ক্ষেত্রে শিক্ষকরা কিছুটা হলেও ধন্যবাদ পাওয়ার যোগ্য।

Manual6 Ad Code

তিনি আরও লেখেন, ‘ডিজিটাল এই প্রতিবাদ প্রমাণ করে দিল, যেখানেই অন্যায় হবে সেখানেই শিক্ষকরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে প্রতিবাদ জানাবে। আমাদের এই ঐক্য ধরে রাখতে হবে। সমালোচনা করুন, তবে সেটা হতে হবে যৌক্তিক। আজাইরা সমালোচনার ফল তো দেখলেন? হ্যামিলনের বাঁশিওয়ালার মতো সব শিক্ষকরা বেরিয়ে এলেন। যেসব শিক্ষকেরা কোনো দিন লজ্জায় ভিডিও দিতেন না, তাদের প্রতিভাও বিকশিত করে দিলেন। যাক, দিনশেষে আমরা সবাই শিক্ষক। আগামীকাল থেকে আমাদের আবার শ্রেণিকক্ষেই দেখবেন।’

পঞ্চগড়ের শিক্ষিকা ফেরদৌস নিজের ভিডিও পোস্ট করে ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘এরপর শাড়ি পরেই দিব শিক্ষকের সেই ভাইরাল নাচ!’

Manual8 Ad Code

চট্টগ্রামের মতলব বাজারের শিক্ষিকা জয়ন্তী ভৌমিক লিখেছেন, ‘শিক্ষক যদি হাসেন, সমস্যা! সাজেন, সমস্যা! পরিপাটি থাকেন, সমস্যা! ভ্রমণে যান, সমস্যা! ছবি পোস্ট করেন, সমস্যা! তাহলে কি শিক্ষক হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মানুষ হওয়ার অধিকারটাও জমা দিতে হবে?’

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 ১২৩৪৫
৭৮৯১০১১১১৩
৪১৫১৬১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৯৩০  

Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code