যৌথ বাহিনীর সহযোগিতায় বিগত দিনে বিয়ানীবাজারে উচ্ছেদ অভিযান-ফাইল ছবি/
Manual1 Ad Code
হাফিজুর রহমান তামিম:
বিয়ানীবাজার পৌরশহরের সড়কের পাশের ফুটপাত দখলমুক্ত রাখতে পৌরসভা প্রশাসনের জোরালো অভিযানের পরও কমছে না হকারদের দাপট। দফায় দফায় ফুটপাতে বসতে মরিয়া তারা। এরপরও অনড় অবস্থানে রয়েছে প্রশাসন, বসতে দেখলেই উঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের।
Manual8 Ad Code
উত্তর বিয়ানীবাজার ব্যবসায়ী সমিতির সদস্য সচিব হাসান আহমদ বলেন, অভিযান চালিয়ে ফুটপাত ফাঁকা করা গেলেও এভাবে ধরে রাখাটাই চ্যালেঞ্জ। ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী আর প্রশাসনের মধ্যে চলে চোর-পুলিশ খেলা। এ-বাজার অভিযান হলে ও-বাজারে চলে ফুটপাত দখলের চেষ্টা।
সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, প্রতিদিন হকাররা বারবার ফুটপাতে বসার চেষ্টা করছেন। কিন্তু পৌর কর্তৃপক্ষের কঠোর অবস্থানের কারণে শেষ পর্যন্ত উঠে যেতে হচ্ছে তাদের। কাউকেই সড়ক বা ফুটপাতে বসতে দেওয়া হচ্ছে না। নিমতলা থেকে দক্ষিণবাজার এবং কলেজ রোডে একই অবস্থা বিরাজমান। যদিও সন্ধ্যার পর অভিযান কিছুটা শ্লথ হলে সীমিত পরিসরে হকাররা ফুটপাতে বসেন।
Manual8 Ad Code
সূত্র জানায়, উচ্ছেদের পর সাধারণ মানুষ স্বস্তি পেলেও অন্তরালে চলছে তদবির। বিভিন্ন মাধ্যমে আবার ফুটপাতের ব্যবসা সচল করার চেষ্টা চলছে। বাস্তব চিত্র বলছে, বিয়ানীবাজারের ফুটপাত এখনও পুরোপুরি দখলমুক্ত নয়। একদিকে পৌরসভার অভিযান, মালামাল জব্দ অন্যদিকে হকার ও ভাসমান ব্যবসায়ীদের অবিরাম ফিরে আসার চেষ্টা। পুলিশের মতে, এটি দীর্ঘদিনের অভ্যাস, যা হুট করে বন্ধ করা সম্ভব নয়।
বিয়ানীবাজার পৌরসভার প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার উম্মে হাবিবা মজুমদার বলেন, ফুটপাতে ফেরার সুযোগ নেই। আমরা অভিযানের পরও ফুটপাতে নিয়মিত তদারকি করছি। যাতে কোথাও কেউ বসতে না পারে। তিনি বলেন, চ্যালেঞ্জ তো সব সময়ই থাকে। এরপরও এবারের প্রেক্ষাপট ভিন্ন এবং কঠিন একটা কাজ। এটা ঠেকিয়ে রাখা শুধুমাত্র একা আমাদের পক্ষে সম্ভবও না। এক্ষেত্রে সকল মহলের সহযোগিতা প্রয়োজন।
Manual7 Ad Code
বিয়ানীবাজার প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মিলাদ মো: জয়নুল ইসলাম বলেন, কেবল হকার উচ্ছেদ করলে হবেনা। অবৈধ পার্কিংয়ের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া দরকার। ফাঁকা জায়গায় রাস্তার পাশে ঘন্টার পর ঘন্টা যানবাহন দাঁড় করিয়ে রাখা হয়। এ প্রবনতা বন্ধ করা প্রয়োজন।