রাষ্ট্রপতির ছবি সরানোর নির্দেশনা নিয়ে মুখ খোলেনি মন্ত্রণালয়
রাষ্ট্রপতির ছবি সরানোর নির্দেশনা নিয়ে মুখ খোলেনি মন্ত্রণালয়
editor
প্রকাশিত আগস্ট ১৮, ২০২৫, ০৫:৩৫ পূর্বাহ্ণ
Manual8 Ad Code
স্টাফ রিপোটার:
বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশি দূতাবাস ও কনস্যুলেট অফিস থেকে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের ছবি সরানোর মৌখিক নির্দেশনা পাঠিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। ওই নির্দেশনা পাওয়ার পর এরই মধ্যে কয়েকটি দেশের বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে রাষ্ট্রপতির ছবি সরিয়ে ফেলা হয়েছে। আবার অনেক দূতাবাস জানিয়েছে তারা ৫ আগস্টের পরপরই এসব ছবি সরিয়ে ফেলেছে।
Manual3 Ad Code
কয়েকটি দূতাবাস গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করলেও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীল কেউ এ বিষয়ে মুখ খোলেননি। দিনভর সাংবাদিকরা অপেক্ষা করেও কারও কাছ থেকে কোনো বক্তব্য মেলেনি।
এক সভা শেষ অপেক্ষমান সাংবাদিকদের এড়িয়ে রোববার (১৭ আগস্ট) সন্ধ্যায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে বের হয়ে যান পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম।
Manual7 Ad Code
অন্য বিষয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হলেও রাষ্ট্রপতির ছবি সংক্রান্ত প্রসঙ্গ এড়িয়ে যান মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র শাহ আসিফ রহমানও।
তবে প্রশ্ন উঠেছে সরকারের পতনের এক বছরেরও পরে কেনইবা হঠাৎ করে রাষ্ট্রপতির ছবি সরানোর এই নির্দেশনা দিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। রাষ্ট্রপতি অপসারণ বা পদত্যাগ করছেন কি না এমন প্রশ্ন রেখে রোববার সকাল থেকেই অনেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট দিতে থাকেন।
Manual3 Ad Code
তবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, বর্তমানে সারা বিশ্বে বাংলাদেশের ৮২টি মিশন ও উপমিশন রয়েছে। তারমধ্যে ওয়াশিংটন, দিল্লি, বেইজিংসহ ৬৫টির বেশি মিশন ও উপমিশন থেকে গত বছরের ৫ আগস্টের সরকার পরিবর্তনের পর রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের ছবি সরিয়ে ফেলা হয়।
Manual5 Ad Code
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, সংবিধান অনুযায়ী শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি টানানোর বাধ্যবাধকতা থাকলেও রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রীর ছবি টানানো ছিল একটা রেওয়াজ। এখন ‘কারও ছবি থাকবে না’–সেই নীতির বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
মূলত গত বছরের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর বাংলাদেশের বেশ কয়েকটি সরকারি প্রতিষ্ঠান ও বিদেশে অবস্থিত দূতাবাসে শেখ হাসিনা এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি অপসারণ করা হয়। ফলে বাকি মিশনগুলো থেকেও সরানোর জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে নতুন এই নির্দেশনা পাঠানো হয়।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অন্য এক সূত্র জানিয়েছে, সম্প্রতি প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের মালয়েশিয়া সফরের সময় কুয়ালালামপুরে বাংলাদেশ দূতাবাসে এবং রাষ্ট্রদূতের বাসভবনে রাষ্ট্রপতির ছবি থাকার বিষয়টি আলোচনায় আসে।