স্বামী বাসায় না থাকার সুযোগে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ
স্বামী বাসায় না থাকার সুযোগে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ
editor
প্রকাশিত মে ২৫, ২০২৬, ০৬:০৭ পূর্বাহ্ণ
Manual3 Ad Code
স্টাফ রিপোর্টার:
ঢাকার সাভারের স্বামী অনুপস্থিত থাকার সুযোগে এক গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ ওঠেছে প্রতিবেশীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের পর তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে সাভার মডেল থানা পুলিশ।
Manual5 Ad Code
গ্রেপ্তাররা হলেন-মো. সাইফুল ইসলাম রানা (৩৬), মজিবর রহমান (৪৮) ও ১৬ বছর বয়সী এক কিশোর। তাদের মধ্যে প্রধান অভিযুক্ত সাইফুল ইসলামকে স্থানীয়রা আটক করে গণপিটুনি দেওয়ার পর পুলিশের হাতে তুলে দেয়। পরে অভিযান চালিয়ে বাকি দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযুক্তরা সবাই ভুক্তভোগী পরিবারের প্রতিবেশী বলে জানিয়েছে পুলিশ।
Manual4 Ad Code
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, কাউন্দিয়া এলাকার একটি ভাড়া বাসায় স্বামীকে নিয়ে বসবাস করতেন ওই গৃহবধূ। অভিযোগ রয়েছে, প্রতিবেশী সাইফুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে তাকে বিভিন্নভাবে কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন।
Manual3 Ad Code
শুক্রবার গভীর রাতে ভুক্তভোগীর স্বামী বাসায় না থাকার সুযোগে কয়েকজন মিলে পরিকল্পিতভাবে বাসায় প্রবেশ করে। এসময় ঘরের বাইরে কয়েকজন পাহারায় অবস্থান নেয়। পরে সাইফুল ইসলাম ও তার সহযোগী সাকিব ঘরে ঢুকে জোরপূর্বক ওই নারীকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
এসময় ভুক্তভোগী চিৎকার শুরু করলে বাইরে থাকা মজিবুর রহমান, এক কিশোর ও অজ্ঞাতনামা আরও একজন ঘরে ঢুকে পড়ে। অভিযোগ রয়েছে, অজ্ঞাতনামা ওই ব্যক্তি মুঠোফোনে আপত্তিকর ভিডিও ধারণ করে এবং ঘটনাটি কাউকে জানালে তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেয়।
পরদিন সকালে স্বামী বাসায় ফিরলে পুরো ঘটনা তাকে জানান ভুক্তভোগী। পরে বিষয়টি পরিবারের অন্য সদস্যদের জানানো হলে স্থানীয়দের সহায়তায় শনিবার সন্ধ্যায় প্রধান অভিযুক্ত সাইফুল ইসলামকে আটক করা হয়। পরে উত্তেজিত জনতা তাকে মারধরের পর সাভার মডেল থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করে।
Manual7 Ad Code
সাভার মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) নূর মোহাম্মদ জানান,ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে চারজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা একজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন এবং পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনের ধারাও যুক্ত করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, প্রধান আসামিকে স্থানীয়রা আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছেন। পরে অভিযান চালিয়ে আরও দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারদের রোববার আদালতে পাঠানো হয়েছে।