প্রকাশনার ১৬ বছর

রেজি নং: চ/৫৭৫

১৭ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
৩রা আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
২রা মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণ, মামলা

editor
প্রকাশিত জুন ১৬, ২০২৬, ০৬:০৩ পূর্বাহ্ণ
চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণ, মামলা

Manual8 Ad Code

নিউজ ডেস্ক :
নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে চতুর্থ শ্রেণির এক ছাত্রীকে (১১) ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মুন্না (২৫) নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।

সোমবার (১৫ জুন) দুপুরে মোহনগঞ্জ থানার ওসি মো. হাফিজুল ইসলাম হারুন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

এ ঘটনায় রোববার রাতে ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে মোহনগঞ্জ থানায় মামলা করেন।

Manual3 Ad Code

অভিযুক্ত মুন্না উপজেলার সুয়াইর ইউনিয়নের রানাহিজল গ্রামের শহিদ আলমের (ছোট্টন) ছেলে। তিনি মুন্সীগঞ্জের বিক্রমপুর এলাকায় একটি দোকানে কাজ করেন বলে জানা গেছে।

Manual7 Ad Code

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী শিশুটি স্থানীয় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী। শিশুটির পরিবার অত্যন্ত দরিদ্র, কোনো সহায়-সম্পত্তি না থাকায় তারা গ্রামে অন্যের বাড়িতে বসবাস করে আসছিলেন। গত ১২ জুন রাত ১০টার দিকে শিশুটি প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে ঘরের বাইরে বের হয়। এ সময় পূর্ব থেকে ওত পেতে থাকা মুন্না শিশুটির মুখ গামছা দিয়ে পেঁচিয়ে টেনে-হেঁচড়ে পাশের একটি পরিত্যক্ত রান্নাঘরের ভেতরে নিয়ে যায়। সেখানে মুন্না শিশুটির মুখ, হাত ও পা গামছা দিয়ে বেঁধে ধর্ষণ করে। ধর্ষণ শেষে ঘটনাটি কাউকে না জানানোর জন্য শিশুটিকে ধারালো ছুরি দেখিয়ে প্রাণনাশের হুমকি দেয়। ভয়ে শিশুটি প্রথমে বিষয়টি পরিবারের কাউকে জানায়নি।

পরবর্তীতে ধর্ষণের ফলে শুরু হওয়া রক্তক্ষরণ বন্ধ না হওয়ায় গতকাল রোববার শিশুটি তার ফুফুকে বিষয়টি খুলে বললে তাৎক্ষণিকভাবে শিশুর বাবাকে বিষয়টি অবগত করেন তিনি।

অভিযোগ রয়েছে, ঘটনা জানার পর শিশুর বাবা ও ফুফু অভিযুক্ত মুন্নার বাবার কাছে বিচার চাইতে যান। অভিযুক্তের বাবা ঘটনাটি শুনে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন এবং বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য ভুক্তভোগীর পরিবারকে চরম ভয়ভীতি দেখন এবং হুমকি দেন। পরে গতকাল রোববার রাতেই এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে মুন্নার বিরুদ্ধে মোহনগঞ্জ থানায় অভিযোগ দেন। বিষয়টি আমলে নিয়ে তাৎক্ষণিক তদন্ত করে প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় রাতেই মামলা গ্রহণ করে পুলিশ।

মামলার পরপরই এলাকা ছেড়ে পালিয়ে গা ঢাকা দেয় মুন্না। তার ব্যবহৃত মোবাইলে কল করা হলেও সেটি বন্ধ পাওয়া যায়।

ওসি হাফিজুল ইসলাম হারুন বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর তাৎক্ষণিক এ বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ঘটনার সত্যতা পাওয়ায় থানায় ইতোমধ্যে মামলা রুজু করা হয়েছে। ভুক্তভোগী শিশুটিকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য আজ সোমবার নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এছাড়াও এ বিষয়ে সব আইনি প্রক্রিয়া গ্রহণ করা হচ্ছে।

Manual4 Ad Code

তিনি বলেন, অভিযুক্ত মুন্না গা ঢাকা দিয়েছে, তবে তাকে গ্রেফতারে অভিযান চলমান রয়েছে।

Manual3 Ad Code

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
১০১১১৩
১৫১৬১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭
৩০  

Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code