প্রকাশনার ১৬ বছর

রেজি নং: চ/৫৭৫

৭ই নভেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২২শে কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
২৭শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮ হিজরি

সিলেট, চট্টগ্রাম ও নোয়াখালী ‘পুনরুদ্ধারের’ সময় এসেছে: বিজেপি এমপি দুবে

editor
প্রকাশিত নভেম্বর ৭, ২০২৬, ০৭:৫৪ পূর্বাহ্ণ
সিলেট, চট্টগ্রাম ও নোয়াখালী ‘পুনরুদ্ধারের’ সময় এসেছে: বিজেপি এমপি দুবে

Manual5 Ad Code

স্টাফ রিপোর্টার:
ভারতের ক্ষমতাসীন দল বিজেপির সংসদ সদস্য নিশিকান্ত দুবে দাবি করেছেন, শুধু পাকিস্তাননিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরই নয়, সময় এসেছে বাংলাদেশের সিলেট, নোয়াখালী ও চট্টগ্রাম ‘পুনরুদ্ধার’ করার।

ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুকে দায়ী করে দুবে বলেন, ১৯৪৬ সালে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারে মুসলিম লীগের সমর্থন নিশ্চিত করতেই এই তিন অঞ্চলকে পূর্ব পাকিস্তানের ভাগে ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন নেহরু। ওই তিনটি অঞ্চলই তৎকালীন ত্রিপুরা রাজ্যের অন্তর্গত ছিল বলে দাবি করেন এই নেতা।

Manual7 Ad Code

শুক্রবার (৬ নভেম্বর) ভারতীয় বার্তা সংস্থা এএনআই-কে দেওয়া বক্তব্যে দুবে বলেন, ‘…আমার দৃষ্টিভঙ্গি হলো, কেবল পাকিস্তানের কাছ থেকে পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মীর পুনরুদ্ধার করার সময়ই এখন আসেনি। নেহরুজি জোরপূর্বক যেসব ভূখণ্ড পাকিস্তানের হাতে তুলে দিয়েছিলেন—তা নোয়াখালী হোক, চট্টগ্রাম বন্দর কিংবা সিলেট—সেগুলোও পুনরুদ্ধার করার সময় এসেছে।’

Manual8 Ad Code

বিজেপি এমপির এই বক্তব্য সমর্থন করেছেন ত্রিপুরার প্রয়াত রাজার বংশধর ও তিপ্রা মথা পার্টির প্রধান প্রদ্যোত মাণিক্য। দুবের বক্তব্যের পক্ষ নিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি বরাবরই বলে আসছি যে দেশভাগের সময় আমার ঠাকুমাকে সম্পূর্ণ অন্ধকারে রেখে তৎকালীন ত্রিপুরা রাজ্যের বিশাল অংশ পূর্ব পাকিস্তানের কাছে সমর্পণ করা হয়েছিল এবং এটি ছিল আমাদের জাতির ইতিহাসের সবচেয়ে অন্ধকার অধ্যায়।’

Manual3 Ad Code

ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোর চারপাশ ভূবেষ্টিত (ল্যান্ডলকড) হওয়ার পেছনের কারণ হিসেবে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানকে (১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের পর বাংলাদেশ) চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তকে দায়ী করেন প্রদ্যোত মাণিক্য। তিনি বলেন, ‘আজ যদি আমাদের সমুদ্রে সরাসরি প্রবেশের অধিকার থাকত, তবে আমাদের ‘চিকেনস নেক’ (শিলিগুড়ি করিডোর) নিয়ে এতটা চিন্তিত হতে হতো না।’

Manual6 Ad Code

বিজেপি এমপি দুবে দাবি করেন, ১৯৪৬ সালে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান হিসেবে নেহরু যেকোনো মূল্যে মুসলিম লীগের সমর্থন পেতে মরিয়া ছিলেন; কিন্তু ত্রিপুরার রাজা নোয়াখালী, সিলেট ও চট্টগ্রামের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের বিষয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের এমন সিদ্ধান্তের তীব্র বিরোধী ছিলেন।

তিনি আরও দাবি করেন, ত্রিপুরার তৎকালীন মহারাজা বীর বিক্রম কিশোর মাণিক্য এ বিষয়ে নেহরুর সঙ্গে ‘ক্রমাগত লড়াই’ চালিয়ে যাচ্ছিলেন। দুবের ভাষ্য অনুযায়ী, রাজা তখন প্রশ্ন তুলেছিলেন, ‘আপনি কীভাবে নোয়াখালীকে পাকিস্তানের হাতে তুলে দিতে পারেন? আপনি কীভাবে সিলেটে গণভোট করতে পারেন? আপনি কীভাবে চট্টগ্রামে গণভোট করতে পারেন? এটি আমার রাজ্য। এটি ভারতে থাকবে, পাকিস্তানে যাবে নাকি একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হবে—সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার একমাত্র আমার।’

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 ১
২৩৪৫৭৮
৯১০১১১১৩৪১৫
১৬১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৯
৩০  

Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code