প্রকাশনার ১৬ বছর

রেজি নং: চ/৫৭৫

২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
৭ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
১১ই রবিউস সানি, ১৪৪৮ হিজরি

প্রশাসনে সংস্কার হয়নি, বেড়েছে সংকট

editor
প্রকাশিত ডিসেম্বর ২৯, ২০২৫, ১১:৪১ পূর্বাহ্ণ
প্রশাসনে সংস্কার হয়নি, বেড়েছে সংকট

Manual4 Ad Code

 

প্রজন্ম ডেস্ক:

 

ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর বিভিন্ন ক্ষেত্রে সংস্কারের উদ্যোগ নিলেও জনপ্রশাসনে গুণগত কোনো পরিবর্তন বা সংস্কার দৃশ্যমান হয়নি। বরং প্রশাসনে অতীতের যেকোনো সময়ের তুলনায় বিশৃঙ্খল অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে।

 

সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও বাস্তবায়ন এবং নিয়োগ, বদলি, পদায়ন ও শাস্তি প্রদানের মতো প্রশাসনিক কার্যক্রমে বছরজুড়েই ছিল ধীরগতি ও বিশৃঙ্খলা। নেতৃত্বের দুর্বলতা, সিদ্ধান্তহীনতা, নানামুখী তদবির, পদোন্নতি বঞ্চিতদের হতাশা ও ক্ষোভ, আন্তঃক্যাডার দ্বন্দ্ব এবং বিগত সরকারের আশীর্বাদপুষ্ট কর্মকর্তাদের অসহযোগিতার কারণে এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হলেও এ ব্যাপারে সরকারের কার্যকর কোনো পদক্ষেপ লক্ষ্য করা যায়নি।

 

বরং অবসর থেকে ফিরে আসা চুক্তিভিত্তিক নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের দুর্বলতা ও প্রযুক্তিগত অদক্ষতায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে। সরকারি চাকরি অধ্যাদেশ, শীর্ষ প্রশাসনিক পদ শূন্য থাকা, বিতর্কিত চুক্তিভিত্তিক কর্মকর্তাদের বদলি, জেলা প্রশাসক নিয়োগ ও সচিবালয়ে অর্থ উপদেষ্টাকে ‘নজিরবিহীন’ অবরোধ সব মিলিয়ে বছরজুড়েই আলোচনায় ছিল জনপ্রশাসন।

Manual5 Ad Code

 

অন্তর্বর্তী সরকারের আমলেও দলীয় প্রভাবমুক্ত হয়নি জনপ্রশাসনসহ সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সংস্থা। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই বহাল তবিয়তে আছেন আওয়ামীপন্থি কর্মকর্তারা। আর যেসব পদে পরিবর্তন আনা হয়েছে তাদের অধিকাংশই নতুন করে দলীয়করণ হয়েছে।

Manual3 Ad Code

 

সচিবসহ গুরুত্বপূর্ণ পদে পদোন্নতি ও পদায়নের ক্ষেত্রে বিএনপি ও জামায়াতপন্থি কর্মকর্তাদের সিন্ডিকেট এবং উপদেষ্টাদের মধ্যে বিভিন্ন সময় চলেছে ত্রিমুখী দ্বন্দ্ব। সব পক্ষই নিজেদের পছন্দের লোককে ভালো পদে বসাতে তৎপর ছিল। এ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে প্রশাসনে চলছে টানাপড়েন।

 

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জন্য কোনো উপদেষ্টা না থাকায় মন্ত্রণালয়টি কার্যত অভিভাবকবিহীনভাবে চলছে। ফলে জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়ন দূরের কথা অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে প্রশাসনে সংকট ও অস্থিরতা আরও বেড়েছে। পদোন্নতি ও পদায়নের ক্ষেত্রেও বিভিন্ন অনিয়ম ও বৈষম্যের অভিযোগ করেছেন প্রশাসনবহির্ভূত অন্য ক্যাডারের কর্মকর্তারা। ডিসি নিয়োগে বারবার বিতর্ক উঠেছে। সবশেষ গত মাসে লটারির মাধ্যমে ইউএনও নিয়োগ নিয়েও বিতর্ক তৈরি হয়।

 

সংশ্লিষ্টরা মনে করেন ১৯৯১, ১৯৯৬ ও ২০০১-এর তত্ত্বাবধায়ক সরকারকে প্রশাসন নিয়ে এমন দুরবস্থায় পড়তে হয়নি। গত এক বছরে প্রশাসনে গতি ফেরাতে বারবার কঠোর সতর্কতাসহ নানামুখী নিদের্শনা দেওয়া হলেও তা কার্যকর তেমন একটা হয়নি।

 

বর্তমানে মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. শেখ আব্দুর রশীদ, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. এহছানুল হক, সিনিয়র সচিব মোখলেস উর রহমান, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব নাসিমুল গনিসহ প্রায় একশজনকে চুক্তিতে নিয়োগ দিয়ে রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে বসিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার।

 

চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পাওয়া কর্মকর্তারাই মূলত প্রশাসন নিয়ন্ত্রণ করছেন। অথচ রাজনৈতিক কারণে যেসব মেধাবী কর্মকর্তা পদোন্নতি বঞ্চিত হয়েছিলেন তাদের অধিকাংশের ভাগ্যে ভালো পদায়ন জোটেনি। হাতে গোনা কয়েকজন সচিব পদোন্নতি পেলেও তারা রয়েছেন অপেক্ষাকৃত গুরুত্বহীন মন্ত্রণালয় ও বিভাগে। এ কারণে দলনিরপেক্ষ ও মেধাবী কর্মকর্তাদের মধ্যে হতাশা দেখা গেছে।

 

তারা বলছেন, ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে যোগ্যতা ও মেধার অগ্রভাগে থাকলেও রাজনৈতিক কারণ দেখিয়ে যাদের পদোন্নতি বঞ্চিত এবং বছরের পর বছর ধরে ওএসডি হিসেবে রাখা হয়েছিল দল নিরপেক্ষ সরকারের আমলেও তাদের অনেকেই বঞ্চিত রয়েছেন। নতুন করে আরেকটি দলের অনুসারীরা পদোন্নতি ও ভালো পদায়ন পাচ্ছেন।

 

একাধিক কর্মকর্তা অভিযোগ করেন প্রশাসনকে দক্ষ ও নিরপেক্ষ করার জন্য সংস্কার শুরুর বদলে নিয়মিত কর্মচারীসহ অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারীদের একের পর এক পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। ৯ ফেব্রুয়ারি প্রশাসন ক্যাডারের ৭৬৪ অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে নতুন করে পদোন্নতি দেওয়া হয়। এর মধ্যে ১১৯ জনকে সচিব ও ৫০০ জনেরও বেশি কর্মকর্তা অতিরিক্ত সচিব পদে পদোন্নতি পেয়েছেন যার মধ্যে অনেকেই বিভাগীয় মামলায় শাস্তিপ্রাপ্ত বিতর্কিত ও দুর্নীতিবাজ।

 

এতে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে। দল নিরপেক্ষ পেশাদার কর্মকর্তাদের অভিযোগ, গণঅভ্যুত্থানের পরও প্রশাসন চলছে আগের সরকারের মতোই। পদোন্নতি ও বদলিতে এখনও মূল বিবেচ্য বিষয় হিসেবে রয়ে গেছে রাজনৈতিক পক্ষপাতিত্ব। গত ১৫ বছরে যেসব আইনকানুন শিথিল করা হয়েছে, সেগুলো সংশোধন করে আরও কঠোর করার জন্য এখনও কোনো ব্যবস্থা নেয়নি অন্তর্বর্তী সরকার। যার ফলে সরকারি কর্মচারীদের দুর্নীতিতে জড়ানোর সুযোগ বেড়েছে।

 

সংশ্লিষ্টরা জানান, প্রশাসনে একশ্রেণির কর্মকর্তা বছরজুড়েই ‘ফ্যাসিবাদের’ তকমা দিয়ে নিজেদের সুবিধাজনক স্থানে নিয়ে যাওয়ার প্রতিযোগিতায় লিপ্ত ছিলেন। অন্যদিকে বিএনপি ও জামায়াতপন্থি কর্মকর্তাদের দলাদলি এবং উপদেষ্টা কমিটি ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের টানাটানিতে সচিব পদে নিয়োগে জটিলতা তৈরি হয়। অভিযোগ রয়েছে তাদের প্রভাব ও দলীয়করণের কারণে বঞ্চিত-মেধাবী এবং দক্ষ কর্মকর্তারা সচিব পদে নিয়োগ পাননি।

 

আবার কোনো কর্মকর্তার জন্য প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে সচিব পদে নিয়োগ দিয়ে সার-সংক্ষেপ অনুমোদন করা হলেও সেই কর্মকর্তার ফাইল আটকে দেওয়ার ঘটনাও ঘটছে। এ ছাড়া সচিব পদে বদলি করার পরও উপদেষ্টাদের পছন্দের লোক না হওয়ায় যোগদান করতে না দেওয়ার ঘটনাও ঘটছে।

 

গত ৩০ আগস্ট শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব এ এইচ এম সফিকুজ্জামান অবসরোত্তর ছুটিতে যাওয়ায় তার দুদিন আগে ২৮ আগস্ট পদোন্নতি দিয়ে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. আব্দুর রহমান তরফদারকে শ্রম মন্ত্রণালয়ের সচিব পদে পদায়ন করেছিল জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। কিন্তু তিনি যোগ দিতে গেলে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন তাকে যোগ দিতে দেননি।

 

শ্রম উপদেষ্টার বক্তব্য হচ্ছে এই কর্মকর্তা ভালো মানুষ হলেও শ্রম মন্ত্রণালয়ের কাজের পরিধি অত্যন্ত কঠিন। এই মন্ত্রণালয়ের সচিবকে আরও দক্ষ ও অভিজ্ঞ হতে হবে। তিনি বিষয়টি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে জানালে শ্রম সচিব হিসেবে পিএসসির সচিব মো. সানোয়ার জাহান ভূঁইয়াকে নিয়োগ দেওয়া হয়। নতুন শ্রম সচিব গত ১৫ সেপ্টেম্বর নতুন কর্মস্থলে যোগ দেন।

 

এর আগে গত ৩ আগস্ট পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগে সংযুক্ত অতিরিক্ত সচিব এস এম শাকিল আখতারকে পদোন্নতি দিয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব পদে নিয়োগ দেওয়া হলেও উপদেষ্টার আপত্তির কারণে তিনি সচিবের চেয়ারে বসতে পারেননি।

 

পরে গত ২০ আগস্ট মৎস্য মন্ত্রণালয়ের নতুন সচিব হিসেবে নিয়োগ পান বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (অতিরিক্ত সচিব) আবু তাহের মুহাম্মদ জাবের। অথচ এই দুই সচিব পদে পদোন্নতি ও পদায়নের সার-সংক্ষেপ অনুমোদন দিয়েছিলেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তারপরও তারা যোগদান করতে না পারায় এ নিয়ে কর্মকর্তাদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।

 

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে সচিব পদে নিয়োগ দিতে সার-সংক্ষেপ অনুমোদন দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু বদলি-পদায়ন ও পদোন্নতিবিষয়ক উপদেষ্টা কমিটির সদস্যদের পছন্দ না হলে সে সচিব নিয়োগ পান না। আবার একটি রাজনৈতিক দলের তদবির থাকলে তিনি পদোন্নতি ও ভালো পদায়ন পান এমন ঘটনাও ঘটছে।

গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি মন্ত্রণালয় ও বিভাগের পাশাপাশি সরকারের একাধিক দফতরে মাসের পর মাস সচিব পদ শূন্য ছিল। এসব দফতরে অতিরিক্ত সচিবরা নিয়মিত দায়িত্ব পালন করলেও সচিব না থাকায় বহু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত ঝুলে থাকে এবং প্রশাসনিক কার্যক্রমে স্থবিরতা দেখা দেয়।

এমনকি প্রশাসনের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে পরিচিত জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়েও কয়েক সপ্তাহ ধরে সচিব পদ শূন্য ছিল, যা প্রশাসনিক ইতিহাসে নজিরবিহীন বলে মনে করেন অনেকে। পরে সরকার সেখানে সচিব নিয়োগ দেয়। চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পাওয়া কয়েকজন বিতর্কিত সচিবকে এক দফতর থেকে অন্য দফতরে বারবার বদলির ঘটনায় প্রশাসনে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়।

Manual4 Ad Code

অন্যদিকে সরকার জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের সুপারিশগুলো দ্রুত বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নিলেও বাস্তবে কোনো সংস্কারই হয়নি। আইনি জটিলতা, কর্মকর্তাদের মধ্যে অভ্যন্তরীণ কোন্দল, জাতীয় সংসদ কার্যকর না থাকা, বিদ্যমান ক্যাডার বৈষম্য, আন্তঃমন্ত্রণালয়ের সমন্বয় অভাব ও বাজেট বরাদ্দে জটিলতাসহ নানা সুপারিশগুলোর বেশিরভাগের বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া থেমে আছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

 

অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে কয়েকটি সুপারিশ দ্রুত বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হলেও সেসবের কাজও চলছে ধীরগতিতে। জনসংস্কার কমিশনের সুপারিশে ডিসি ও ইউএনও পদের নাম পরিবর্তনের সুপারিশ করা হয়েছিল। ডিসির নতুন পদবি হবে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা জেলা কমিশনার (ডিসি) এবং ইউএনওর নতুন পদবি হবে উপজেলা কমিশনার। এ ছাড়া অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের (রাজস্ব) পদবি পরিবর্তন করে অতিরিক্ত জেলা কমিশনার (ভূমি ব্যবস্থাপনা) করার প্রস্তাব করা হয়। কিন্তু কোনো সুপারিশই বাস্তবায়ন হয়নি।

 

জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের প্রধান আব্দুল মুয়ীদ চৌধুরী জানান, তা সরকারের কাছে সুপারিশ জমা দিয়েছেন। এগুলো বাস্তবায়নের দায়িত্ব সরকারের। তবে সরকার এসব সুপারিশ বাস্তবায়ন করবে কি না সেটি তাদের বিষয়।

 

Manual1 Ad Code

জনপ্রশাসন বিশেষজ্ঞ ও সাবেক অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ ফিরোজ মিয়া বলেন, দেশের সিভিল সার্ভিস এখনও অস্থিতিশীল ও ভঙ্গুর। গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে শীর্ষ পর্যায়ে কিছু অদক্ষ কর্মকর্তাকে নিয়োগ দেওয়ায় এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। এর জন্য শুধু কর্মকর্তারাই দায়ী নন; যারা তাদের বেছে নিয়েছেন তারাও সমানভাবে দায়ী। তিনি বলেন, এ ধরনের ঘটনা সরকার এবং প্রশাসনের ভাবমূর্তি নষ্ট করে। এটি প্রশাসনের সমন্বয়হীনতার বহিঃপ্রকাশ। তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার আওয়ামী লীগ সরকারের পথেই হেঁটেছে।

 

তার মতে, অনেক নিয়োগপ্রাপ্তের দক্ষতা প্রয়োজনীয় মানের নয়। বাধ্যতামূলক অবসর, অসংখ্য কর্মকর্তার ওএসডি হওয়া, ঘন ঘন বদলি, সিদ্ধান্তহীনতা, অবিশ্বাস ও অভ্যন্তরীণ বিভ্রান্তি সব মিলিয়ে সরকারি প্রশাসন এখনও অস্থির ও ভঙ্গুর। জনপ্রশাসন পুনর্গঠনে সরকারের সদিচ্ছার অভাব ছিল মন্তব্য করে তিনি বলেন, জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন গঠন করা হলেও কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়নে জোর ছিল কম।

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১৩
১৫১৬১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
৩০  

Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code