মানুষকে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছি : তারেক রহমান
মানুষকে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছি : তারেক রহমান
editor
প্রকাশিত মে ২, ২০২৬, ০৮:১৬ পূর্বাহ্ণ
Manual7 Ad Code
Manual6 Ad Code
স্টাফ রিপোর্টার:
আড়াই মাস বয়সে একটি শিশু হাঁটতে পারে না, তাকে হাঁটতে হলে আরও কিছুদিন অপেক্ষা করতে হয়। এভাবেই বর্তমান সরকারকে তুলনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
Manual2 Ad Code
তিনি বলেছেন, বর্তমান সরকারের বয়স আড়াই মাসের মতো। তবে এরই মধ্যে আমরা দেশের মানুষের সামনে যে সকল প্রতিশ্রুতি উপস্থাপন করেছিলাম এবং দেশের মানুষকে যে কথা দিয়েছিলাম, সেই প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছি।
শনিবার (২ মে) সিলেটের চাঁদনীঘাট এলাকায় সিলেট সিটি করপোরেশন আয়োজিত জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্প উদ্বোধন উপলক্ষ্যে সুধী সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
Manual8 Ad Code
তারেক রহমান বলেন, আমরা সারাদেশে নারীদের স্বাবলম্বী করার জন্য ফ্যামিলি কার্ড এবং কৃষক ভাইদের সহযোগিতা করার জন্য কৃষক কার্ডের কথা বলেছিলাম। আমরা বলেছিলাম যে, আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ভেতর থেকে যারা বিভিন্ন খেলাধুলায় দক্ষ বা যাদের মধ্যে বিভিন্ন প্রতিভা রয়েছে, সেগুলোকে আমরা বিকশিত করতে চাই।
সারাদেশ থেকে দক্ষ খেলোয়াড় বের করে আনার বিষয়ে তিনি বলেন, এখানে যারা আমাদের বয়সী আছেন, কমবেশি অনেকেরই ধারণা আছে যে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময় দেশের ছোট ছোট ছেলেমেয়েদের মধ্য থেকে প্রতিভাবানদের বের করে আনার জন্য নতুন কুঁড়ি নামক একটি অনুষ্ঠান চালু করা হয়েছিল। আপনাদের অনেকেরই সে সম্পর্কে ধারণা আছে যারা সে সময় শহীদ জিয়াকে দেখেছেন। সেটিরই একটি বর্ধিত অংশ হিসেবে আমরা এই ছোট ছোট ছেলেমেয়েদের ভেতর থেকে ভবিষ্যতে ভালো খেলোয়াড় বের করে আনতে চাই। তারই অংশ হিসেবে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ আমরা আজ সিলেটের মাটি থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করব ইনশাআল্লাহ।
প্রধানমন্ত্রী জানান, গত পরশু পর্যন্ত সারাদেশে প্রায় ১ লাখ ৩০ হাজার শিশু নাম নিবন্ধন করেছে। এর মধ্য থেকে সাত-আটি খেলা নির্ধারণ করা হয়েছে। আমরা বিশ্বাস করি, এর ভেতর থেকে এমন কিছু খেলোয়াড় বের করে নিয়ে আসতে পারব যারা ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক অঙ্গন থেকে দেশের জন্য স্বর্ণপদক ছিনিয়ে আনবে এবং দেশের সুনাম বৃদ্ধি করতে সক্ষম হবে। ক্রিকেট যেভাবে আজ বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশকে তুলে ধরেছে এবং সম্মান নিয়ে এসেছে, কিংবা মেয়েদের ফুটবল টিম যেভাবে দেশের জন্য আন্তর্জাতিক সম্মান বয়ে এনেছে, তেমনিভাবে আমাদের ছেলেমেয়েরাও ভবিষ্যতে দেশের জন্য সম্মান বয়ে আনতে পারবে।