দেশের রাজনীতি মূলত দুটি ঐতিহাসিক স্তম্ভের ওপর ভর করে আবর্তিত হচ্ছে; ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থান (যাকে ২৪-এর বিপ্লব বা জুলাই বিপ্লব বলা হচ্ছে)। বিগত বছরগুলোতে আওয়ামী লীগ যেমন একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধকে নিজেদের একক সম্পত্তি হিসেবে ব্যবহার করে রাজনৈতিক সুবিধা আদায় করেছিল, ঠিক তেমনি বর্তমান পরিবর্তিত রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে কাজে লাগিয়ে রাজনৈতিক ফায়দা নিতে সচেষ্ট জামায়াতে ইসলামী।
তবে এই দুই দলের দুই মেরুর অবস্থানের বিপরীতে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ১৯৭১ এবং ২০২৪ এই দুই যুগান্তকারী চেতনাকেই নিজেদের রাজনৈতিক মতাদর্শ ও জাতীয়তাবাদী চেতনার মূল ভিত্তি হিসেবে তুলে ধরেছে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ’৭১ এবং ’২৪-কে যুগপৎভাবে ধারণ করার কারণে বর্তমান রাজনৈতিক সমীকরণে বিএনপি সবচেয়ে সুবিধাজনক ও সুসংহত অবস্থানে রয়েছে।
সম্প্রতি জাতীয় সংসদে এই বিষয়গুলো নিয়ে বিস্তর আলোচনা হয়েছে। ’৭১ ও ’২৪-এর চেতনা কীভাবে ধারণ করা হচ্ছে, জুলাই বিপ্লবের অর্জন কীভাবে সংরক্ষিত হবে এবং ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নের রূপরেখা কী হবে, তা নিয়ে সংসদ অধিবেশনে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামীসহ বিভিন্ন দলের নেতাদের মধ্যে উত্তপ্ত ও গঠনমূলক বিতর্ক অনুষ্ঠিত হয়।
আওয়ামী লীগের ‘৭১ কার্ড’ এবং ক্ষমতা কুক্ষিগত করার ইতিহাস
স্বাধীনতার পর থেকে, বিশেষ করে বিগত দেড় দশকে আওয়ামী লীগ ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে নিজেদের দলীয় ঢাল হিসেবে ব্যবহার করেছে বলে মনে করেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি—এই বয়ান তৈরি করে তারা বিরোধীদের ‘স্বাধীনতাবিরোধী’ ট্যাগ দিয়ে কোণঠাসা করে রেখেছিল।
সংসদে আলোচনায় অংশ নিয়ে বিএনপির একাধিক সিনিয়র নেতা বলেন, আওয়ামী লীগ মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে পুঁজি করে মূলত দেশে একটি ফ্যাসিবাদী শাসন কায়েম করেছিল। মুক্তিযুদ্ধের নাম ভাঙিয়ে তারা জনগণের ভোটাধিকার হরণ, গুম-খুন, দুর্নীতি, অর্থপাচার এবং বিচার বিভাগসহ রাষ্ট্রের সকল প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করেছে। একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধ ছিল বৈষম্যহীন ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গড়ার লড়াই, অথচ আওয়ামী লীগ সেই চেতনাকে দলীয়করণ করে ক্ষমতাকে চিরস্থায়ী করার হাতিয়ার বানিয়েছিল। এই ‘৭১ কার্ড’ ব্যবহার করে তারা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজেদের স্বৈরতান্ত্রিক আচরণকে বৈধতা দেওয়ার অপচেষ্টা চালিয়েছে, যার চূড়ান্ত পরিণতি ছিল ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার বিস্ফোরণ।
’৭১ ও ’২৪-এর মেলবন্ধন: বিএনপির রাজনৈতিক কৌশল ও দাবি
বিএনপি বিশ্বাস করে, ১৯৭১ এবং ২০২৪ এই দুটি আন্দোলনেরই মূল লক্ষ্য ছিল একটি শোষণমুক্ত, গণতান্ত্রিক ও মানবিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা। আওয়ামী লীগ ১৯৭১ এবং ১৯৯০-এর গণঅভ্যুত্থানের চেতনা থেকে সম্পূর্ণ বিচ্যুত হয়েছিল। এই শূন্যস্থান পূরণে বিএনপি নিজেদের মুক্তিযুদ্ধের আদর্শে বিশ্বাসী একটি ‘উদার ও নৈতিক’ দল হিসেবে পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেছে।
বিএনপির শীর্ষ নেতারা বারবার স্মরণ করিয়ে দিচ্ছেন যে, দলের প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ছিলেন একজন রণাঙ্গনের বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং স্বাধীনতার ঘোষক। জিয়াউর রহমানকে তারা বাংলাদেশের স্বাধীনতার অন্যতম প্রধান ধারক হিসেবে দাবি করেন।
বিএনপি নেতাদের দাবি, ’৭১ এবং ’৯০-এর স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের মতোই ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার অভাবনীয় আন্দোলনের মূল ‘ট্রফি’ বা কৃতিত্ব বিএনপির ঘরে। দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান মনে করেন, ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১-এ দেশ শত্রুমুক্ত হলেও চক্রান্তকারীরা বারবার এ দেশের স্বাধীনতা বিপন্ন করার চেষ্টা করেছে। ২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লব সেই ১৯৭১ সালের স্বাধীনতাকেই চক্রান্তকারীদের হাত থেকে রক্ষা করে এর প্রকৃত মর্মার্থ ফিরিয়ে এনেছে। ক্ষমতায় আসার পর থেকেই বিএনপি শহীদ ও আহত ‘জুলাই যোদ্ধা’দের পুনর্বাসনে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রতিশ্রুতি দিয়ে আসছে।
রোববার জেলা প্রশাসক সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘সরকার ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনে কাজ করছে। নির্বাচনী ইশতেহার ও জনগণের সামনে স্বাক্ষরিত জুলাই সনদের সব কিছু পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে।’
দেশের রাজনৈতিক ইতিহাস এবং বিএনপির ভূমিকা নিয়ে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, ‘বাংলাদেশের প্রতিটি জাতীয় সংকটে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) বারবার সমাধানমুখী নেতৃত্ব দিয়েছে। দেশের ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, ১৯৭১ সালে দেশের মানুষ যখন পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল, তখন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বেই সেই রাজনৈতিক সংগ্রাম সশস্ত্র রূপ নিয়েছিল। এরপর ১৯৭৫ সালের পর জাতি যখন গভীর রাজনৈতিক শূন্যতা ও সংকটে নিমজ্জিত হয়, তখন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানই সিপাহী-জনতার ঐতিহাসিক বিপ্লবের মাধ্যমে দেশের হাল ধরেন এবং সংকট উত্তরণে অভাবনীয় ভূমিকা পালন করেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘১৯৮২ সালে স্বৈরশাসক হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ যখন বেআইনিভাবে জনগণের ভোটাধিকার কেড়ে নিয়ে দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় ছিলেন, তখন আপসহীন নেত্রী দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার নেতৃত্বেই দেশের জনগণ স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করেছিল। ঠিক একইভাবে, ২০২৪ সালে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সুদূরপ্রসারী নেতৃত্বাধীন গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদী সরকারের পতন ঘটানো এবং দেশে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন করা সম্ভব হয়েছিল। যার ফলশ্রুতিতেই আজকের এই নির্বাচিত সার্বভৌম সংসদ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।’
’২৪-এর গণঅভ্যুত্থান ও জামায়াতে ইসলামীর ‘জুলাই সনদ’
অন্যদিকে, রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের দৃষ্টিতে জামায়াতে ইসলামীর বর্তমান অবস্থান বেশ কৌতূহলোদ্দীপক। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে বিতর্কিত ভূমিকার কারণে দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে দলটি রাজনৈতিকভাবে প্রবল চাপের মুখে ছিল। কিন্তু ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার আন্দোলনে নিজেদের অংশগ্রহণকে পুঁজি করে জামায়াত সেই ঐতিহাসিক দায়মুক্তি পেতে চাইছে।
’২৪-এর গণঅভ্যুত্থানকে কাজে লাগিয়ে রাজনৈতিক সুবিধা ও সমাজে নিজেদের শক্ত অবস্থান তৈরি করতে জামায়াতে ইসলামী ‘জুলাই সনদ’ বা জুলাই বিপ্লবের ঘোষণাপত্র বাস্তবায়নের দাবি তুলেছে। সংসদে জামায়াতের নির্বাচিত প্রতিনিধিরা ’২৪-এর বিপ্লবকে তাদের নতুন রাজনৈতিক ‘রেনেসাঁ’ হিসেবে উপস্থাপন করছেন।
সংসদ অধিবেশনে জামায়াত নেতারা জোরালো দাবি তোলেন যে, ‘জুলাই সনদ’-এর আলোকে রাষ্ট্রের প্রতিটি প্রতিষ্ঠান ঢেলে সাজাতে হবে। তাদের মতে, ২৪-এর বিপ্লব শুধুমাত্র একটি ক্ষমতার পালাবদল নয়, বরং এটি রাষ্ট্রের কাঠামোগত পরিবর্তনের একটি ম্যান্ডেট। তারা জুলাই বিপ্লবের শহীদদের জাতীয় বীর হিসেবে সংবিধানে স্বীকৃতি দেওয়া এবং বিপ্লবের চেতনা রক্ষায় বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠনের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদী সরকারের দোসরদের দ্রুত বিচারের দাবি জানান।
তবে সংসদে এই ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়ন নিয়ে বিএনপি এবং জামায়াত নেতাদের মধ্যে ভিন্নমত ও বিতর্ক লক্ষ্য করা যায়। বিএনপি নেতারা মনে করেন, জুলাই বিপ্লবের স্পিরিট অবশ্যই ধারণ করতে হবে, কিন্তু তা করতে হবে বিদ্যমান সাংবিধানিক কাঠামোর সংস্কার ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে। তাড়াহুড়ো করে কোনো সনদ চাপিয়ে দিলে তা হিতে বিপরীত হতে পারে। অন্যদিকে, জামায়াত নেতারা মনে করেন, জুলাই বিপ্লবের আকাঙ্ক্ষাকে অবিলম্বে আইনি ও কাঠামোগত রূপ দেওয়া না হলে বিপ্লবীরা প্রতারিত হবেন।
বিশ্লেষকরা বলছেন, জামায়াতের এই ‘জুলাই সনদ’ আঁকড়ে ধরার নেপথ্যে মূলত ’৭১-এর বয়ান থেকে জনগণের দৃষ্টি সরিয়ে ’২৪-এর বয়ানে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করার এক সুনিপুণ রাজনৈতিক কৌশল কাজ করছে।
সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন বলেন, ‘যারা বুকের তাজা রক্ত দিয়ে ২৪-এর জুলাই বিপ্লবকে সফল করেছেন এবং আমাদের দ্বিতীয় স্বাধীনতা এনে দিয়েছেন, সেই ‘জুলাই যোদ্ধা’দের ঋণ এই রাষ্ট্র কখনোই শোধ করতে পারবে না। তবে বর্তমান সরকার তাদের প্রতি সর্বোচ্চ সম্মান প্রদর্শনে বদ্ধপরিকর।’
Manual3 Ad Code
সার্বিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ও বিশ্লেষকরা একমত যে, বর্তমান বাস্তবতায় বিএনপি সবচেয়ে সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে। এর প্রধান কারণ হলো, দলটি সফলভাবে ১৯৭১ এবং ২০২৪ এই দুই ভিন্ন প্রজন্মের আবেগকে এক সুতোয় গাঁথতে পেরেছে। আওয়ামী লীগ ৭১-কে ধারণ করলেও তাদের পিঠে লেগে আছে ২৪-এর গণহত্যার তকমা এবং ফ্যাসিবাদী তকমা। অন্যদিকে, জামায়াতে ইসলামী ২৪-এর আন্দোলনে সক্রিয় থাকলেও ৭১-এর বিতর্কিত ইতিহাস তাদের জন্য বড় এক বাধা।
এই দুই চরম অবস্থার মাঝামাঝি দাঁড়িয়ে বিএনপি এমন একটি আখ্যান তৈরি করেছে, যেখানে জিয়াউর রহমানের ’৭১-এর স্বাধীনতার ঘোষণা এবং তারেক রহমানের ’২৪-এর ফ্যাসিবাদের পতন দুটোই সমান্তরালভাবে অবস্থান করছে। বিএনপি একই সঙ্গে প্রবীণ মুক্তিযোদ্ধাদের আবেগ এবং তরুণ জুলাই যোদ্ধাদের স্পিরিটকে নিজেদের ছাতার নিচে আনতে পেরেছে।
Manual4 Ad Code
রাষ্ট্রবিজ্ঞানী গোলাম হাফিজ বলেছেন, ২০২৬ সালের এই নতুন বাংলাদেশে রাজনীতি আর কেবল রাজপথের পেশিশক্তির ওপর নির্ভরশীল নয়। বরং কোন দল জনগণের ঐতিহাসিক অর্জনগুলোকে কতটা গণতান্ত্রিক, সাংবিধানিক ও অংশগ্রহণমূলকভাবে ধারণ করতে পারছে, তার ওপরই নির্ভর করছে আগামীর নেতৃত্ব। সেই মাপকাঠিতে ’৭১ এবং ’২৪-এর চেতনার মেলবন্ধন ঘটিয়ে বিএনপি এক অনন্য রাজনৈতিক উচ্চতায় নিজেদের অবস্থান নিশ্চিত করেছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নুরুল আমিন বেপারী বলেন, বিএনপি এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একটা বিষয় ক্লিয়ার করে দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ’২৪-এর যে অভ্যুত্থান হয়েছে, এই অভ্যুত্থানের স্পিরিটটাকে আমরা কখনো অস্বীকার করতে পারব না। এটাকে আমরা ধারণ করি। অর্থাৎ, ছাত্র-জনতার আন্দোলনের যেটা হয়েছে, সেটাকে তারা ধারণ করে।
একইসঙ্গে তারা ’৭১ সালে যেটা ঘটেছে, এটা তো বিশাল! ’৭১ যদি না হতো, দেশ স্বাধীন না হলে তো এটা (বর্তমান অবস্থা) হতো না। সেই হিসেবে তারা ’৭১-কে যেমন ধারণ করে, তেমনি ’২৪-এর আন্দোলনের চেতনাকেও তারা ধারণ করে। তারেক রহমান তো বলছেনই যে, আমরা অক্ষরে অক্ষরে এটাকে পালন করব এবং ’২৪ সম্পর্কিত যে অধ্যাদেশ আসবে, সেটা তারা করবে।
নুরুল আমিন বেপারী বলেন, আলাপ-আলোচনা তো পার্লামেন্টে অনেক কিছুই হবে। পজিটিভ-নেগেটিভ অনেক কিছু নিয়েই হবে, তারপর একটা সিদ্ধান্ত হয়। হ্যাঁ, জামায়াতে ইসলামী ’২৪-এর এই অভ্যুত্থানে তাদের যেহেতু কন্ট্রিবিউশন ছিল, তারা মনে করে ছাত্র-জনতার কন্ট্রিবিউশন ছিল, যার জন্য এটাকে তারা বেশি গুরুত্ব দিতে চায়।
কিন্তু রাষ্ট্রবিজ্ঞানের ছাত্র হিসেবে আমি বলব, ’২৪ এবং ’৭১ অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। ’২৪-কে কখনো নেগলেক্ট করা উচিত হবে না, ঠিক তেমনি উচিত হবে না ’৭১ সম্পর্কে অবজ্ঞাসূচক কোনো বক্তব্য দেওয়া।