সাবেক উপদেষ্টা রিজওয়ানার বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়েছেন সাইফুল আলম খান
সাবেক উপদেষ্টা রিজওয়ানার বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়েছেন সাইফুল আলম খান
editor
প্রকাশিত মার্চ ৫, ২০২৬, ০৮:১৮ পূর্বাহ্ণ
Manual8 Ad Code
স্টাফ রিপোর্টার:
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বক্তব্যের প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য ও ঢাকা-১২ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) সাইফুল আলম খান মিলন। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে তিনি প্রতিবাদ ও নিন্দা জানান।
Manual1 Ad Code
বিজ্ঞপ্তিতে সংসদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন বলেন, ‘অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান সম্প্রতি গণমাধ্যমে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মতো একটি ডানপন্থী দল যেন দেশের রাজনীতিতে মেইনস্ট্রিমে আসতে না পারে, সে চেষ্টা তারা করেছেন এবং তাদেরকে মেইনস্ট্রিম হতে দেননি।’
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে ঢাকা-১২ আসনের সংসদ সদস্য মিলন বলেন, ‘একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে এই ধরনের বক্তব্য অত্যন্ত উদ্বেগজনক, অগণতান্ত্রিক এবং জনগণের রাজনৈতিক অধিকারের প্রতি সরাসরি অবজ্ঞার শামিল। কোন রাজনৈতিক দল মেইনস্ট্রিমে থাকবে আর কোন দল থাকবে না— এ সিদ্ধান্ত কোনো ব্যক্তি, উপদেষ্টা বা প্রশাসনিক গোষ্ঠীর নয়; এটি একমাত্র দেশের জনগণই তাদের ভোটের মাধ্যমে নির্ধারণ করেন।’
Manual2 Ad Code
তিনি বলেন, ‘সরকারের দায়িত্বশীল অবস্থানে থেকে এ ধরনের বক্তব্য শুধু অনভিপ্রেতই নয়, বরং ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে যে ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের যে অভিযোগ উঠেছে, সেটিকেই আরও জোরালোভাবে সত্য প্রতিপন্ন করে। এটি অন্তর্বর্তী সরকারের ঘোষিত নিরপেক্ষতার দাবিকেও চরমভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।’
Manual3 Ad Code
বাংলাদেশের জনগণ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলকে সমর্থন দিয়েছেন। কিন্তু প্রশাসনের ভেতরে থাকা কিছু পক্ষপাতদুষ্ট উপদেষ্টা ও ফ্যাসিবাদী মানসিকতার আমলাদের যোগসাজশে জনগণের রায়কে প্রভাবিত করার চেষ্টা করে গণতন্ত্রের জন্য অত্যন্ত বিপজ্জনক নজির স্থাপন করেছে।
Manual3 Ad Code
সাইফুল আলম খান মিলন বলেন, আমি দৃঢ়ভাবে বলতে চাই-বাংলাদেশের জনগণ রাজনৈতিক সচেতন। তারা জানেন কাকে সমর্থন করতে হবে এবং কাকে প্রত্যাখ্যান করতে হবে। আগামীদিনে দেশের জনগণ শুধু ভোটই দেবেন না, বরং তাদের ভোট পাহারা দিয়ে সত্য, ন্যায় ও গণতন্ত্রের পক্ষে রায় নিশ্চিত করবেন-ইনশাআল্লাহ।
গণতন্ত্রের স্বার্থে আমরা এ ধরনের অগণতান্ত্রিক মানসিকতার বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানাই এবং ভবিষ্যতে দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের কাছ থেকে আরও সংযত ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধসম্মত বক্তব্য প্রত্যাশা করেন জামায়াত নেতা সাইফুল আলম খান মিলন।