প্রকাশনার ১৬ বছর

রেজি নং: চ/৫৭৫

৬ই নভেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২১শে কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮ হিজরি

পাকিস্তান নয়, যুদ্ধবিরতির নেপথ্যে যুক্তরাষ্ট্রই

editor
প্রকাশিত এপ্রিল ৯, ২০২৬, ০৯:০১ পূর্বাহ্ণ
পাকিস্তান নয়, যুদ্ধবিরতির নেপথ্যে যুক্তরাষ্ট্রই

Manual5 Ad Code

নিউজ ডেস্ক:
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে শর্তসাপেক্ষে দুই সপ্তাহের জন্য যুদ্ধবিরতি চলছে। তবে যুদ্ধবিরতির পরেও ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ব্যাপক হামলা হয়েছে। ইরান বলছে, যুদ্ধবিরতির আওতায় লেবাননও আছে, অন্যদিকে ইসরায়েলের দাবি লেবানন নেই। এনিয়ে এই যুদ্ধবিরতি স্থায়িত্ব নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

Manual3 Ad Code

বর্তমানে পাকিস্তান নিজেকে শান্তির মধ্যস্থতাকারী হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করছে। তবে ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আসলে হোয়াইট হাউসই ইসলামাবাদকে ইরানের সঙ্গে একটি অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি করাতে চাপ দিয়েছিল।

রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, ইসলামাবাদ নিরপেক্ষ মধ্যস্থতাকারী ছিল না। তারা বরং যুক্তরাষ্ট্রের জন্য একটি সুবিধাজনক মাধ্যম হিসেবে কাজ করেছে। তাদের মাধ্যমে ইরানের ওপর অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে।

Manual4 Ad Code

অন্যদিকে একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে হুমকি বাড়াচ্ছিলেন। দাবি করছিলেন, তেহরান যুদ্ধবিরতির জন্য ‘অনুনয় করছে’।

ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়, কয়েক সপ্তাহ ধরে ট্রাম্প প্রশাসন ইসলামাবাদের ওপর চাপ সৃষ্টি করছিল, যাতে তারা ইরানকে যুদ্ধবিরতিতে রাজি করাতে পারে।

শর্ত ছিল, হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া। প্রতিবেদন বলা হয়েছে, একটি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ প্রতিবেশী দেশ এবং মধ্যস্থতাকারী হিসেবে পাকিস্তানের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। এই প্রস্তাব তেহরানের কাছে গ্রহণযোগ্য করে তোলা।

পাকিস্তানের পর্দার আড়ালের এই কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় নেতৃত্ব দেন দেশটির সেনাপ্রধান অসিম মুনির। সেই প্রচেষ্টা মঙ্গলবার রাতে ফলপ্রসূ হয়। যুক্তরাষ্ট্র, ইসরাইল ও ইরান দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়।

Manual2 Ad Code

ফিন্যান্সিয়াল টাইমস-এর মতে, ওয়াশিংটন ও ইসলামাবাদ উভয়ই মনে করেছিল ইরান যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাব গ্রহণে বেশি আগ্রহী হবে। মঙ্গলবার ট্রাম্পের নির্ধারিত সময়সীমা ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে পাকিস্তানের ফিল্ড মার্শাল অসিম মুনির দ্রুত বিভিন্ন শীর্ষ মার্কিন কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেন। এর মধ্যে ছিলেন ট্রাম্প, ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ।

Manual3 Ad Code

এরপর তিনি ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির সঙ্গে দুই সপ্তাহের প্রস্তাব নিয়ে কথা বলেন, যা পরে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ প্রকাশ্যে আনেন।

তবে নিউ ইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শাহবাজ শরিফ এটি প্রকাশ করার আগেই হোয়াইট হাউস বিবৃতিটি দেখে অনুমোদন দিয়েছিল।

এমনকি শাহবাজ শরিফ যখন এটিকে পাকিস্তানের উদ্যোগ হিসেবে উপস্থাপন করেন, তখন ভুলবশত তার পোস্টে ‘ড্রাফট-পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর বার্তা’ শিরোনামটি রয়ে যায়। আর এনিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা চলছে। অনেকেই পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে ব্যঙ্গ করছেন।

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 ১
২৩৪৫৭৮
৯১০১১১১৩৪১৫
১৬১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৯
৩০  

Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code