চিলির স্তাদিও নাসিওনাল হুলিও মার্তিনেস প্রাদানোসে আজ ভোরে আর্জেন্টিনার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে লড়েছে কলম্বিয়া। বরং বল দখলে খানিকটা এগিয়ে ছিল কলম্বিয়াই (৫৪%)। আর্জেন্টিনার ১৪ শটের বিপরীতে ১৩টি শট নিয়েছে দলটি। তবে কাজের কাজ গোল আদায় করতে পারেনি কলম্বিয়া।
ম্যাচের নবম মিনিটে গোলের দারুণ সুযোগ পেয়েছিল কলম্বিয়া। এ যাত্রায় আর্জেন্টিনাকে গোলপোস্ট অক্ষত রাখেন সান্তিনো বারবি। বক্সের ভেতরের বাঁপ্রান্ত থেকে অস্কার পেইরার ক্রসে হোয়েল চানচিম্বোর হেড দারুণ দক্ষতায় ঠেকিয়ে দেন আর্জেন্টাইন গোলকিপার।
Manual6 Ad Code
শুধু এ যাত্রায় নয়, পুরো ম্যাচেই গোলপোস্টের নিচে দুর্দান্ত ছিলেন বারবি। আরও তিনটি দারুণ সেভ করে কলম্বিয়াকে গোলবঞ্চিত রাখেন তিনি।
Manual8 Ad Code
অন্যদিকে শুরুতে কিছু ভুগলেও ধীরে ধীরে নিজেদের গুছিয়ে নেয় আর্জেন্টিনা। একের পর এক আক্রমণ করতে থাকে আলবিসেলেস্তারা। কিন্তু কোনোভাবেই কলম্বিয়ার জমাট রক্ষণ ভাঙতে পারছিলেন না ইয়ান সুবিয়াব্রে-সিলভেত্তিরা। অবশেষে ৭২ মিনিটে সফল হয় টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ শিরোপাজয়ীরা। জিয়ানলুকা প্রেস্তিয়ান্নির দারুণ এক পাসে কলম্বিয়ার জালে বল জড়ান সিলভেত্তি।
মধ্যমাঠের খানিকটা সামনে বল পেয়ে গায়ের সঙ্গে লেগে থাকা ডিফেন্ডারকে ড্রিবল করে বক্সের ভেতর থ্রু বাড়ান প্রেস্তিয়ান্নি। অনেকটা ফাঁকায় বল পেয়েছিলেন সিলভেত্তি। কলম্বিয়ান গোলকিপার জর্দান গার্সিয়া এগিয়ে এলেও তাঁকে কোনো সুযোগ না দিয়ে স্কোরলাইন ১-০ করেন সিলভেত্তি। শেষ পর্যন্ত সিলভেত্তির এ গোলটাই ম্যাচের ব্যবধান গড়ে দেয়। আর আর্জেন্টিনা উঠে যায় ফাইনালে।
Manual2 Ad Code
অবশ্য এ গোলের ৭ মিনিট পর দ্বিতীয় হলুদ কার্ডে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন কলম্বিয়ার জন রেনতেরিয়া। ১০ জনে পরিণত হওয়া কলম্বিয়া শেষ পর্যন্ত চেষ্টা চালালেও আর ম্যাচে ফিরতে পারেনি।
১৯৭৭ সালে শুরু হওয়া এ টুর্নামেন্টে এ নিয়ে অষ্টমবার ফাইনালে উঠল আর্জেন্টিনা। এর আগে সাতবার ফাইনালে উঠে ছয়বারই শিরোপা ঘরে তুলেছে আলবিসেলেস্তেরা। তবে আর্জেন্টিনা শেষবার শিরোপা জিতেছিল সেই ২০০৭ সালে।