ম্যাচের শেষ দিকে আর্লিং হালান্ডের গোলে ২-১ ব্যবধানে জিতে বিশ্বকাপের শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে নরওয়ে। অন্যদিকে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিয়েছে আইভরি কোস্ট।
সোমবার (২৯ জুন) বাংলাদেশ সময় রাতে অনুষ্ঠিত ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল উপহার দেয় দুই দল। দ্বিতীয় মিনিটেই বক্সের ভেতর আর্লিং হালান্ডের হেড প্রতিহত করেন আইভরি কোস্টের ডিফেন্ডাররা। সপ্তম মিনিটে ইয়ান দিয়োমান্দের হেড লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়।
Manual7 Ad Code
২১ মিনিটে ম্যাচের প্রথম বড় সুযোগ তৈরি করে আইভরি কোস্ট। বাম প্রান্ত থেকে ইয়ান দিয়োমান্দের পাস পেয়ে ঘিসলাঁ কোনান বক্সে ঢুকে শট নিলেও বল পোস্টের পাশ ঘেঁষে বাইরে চলে যায়।
২৮ মিনিটে আবারও সুযোগ নষ্ট করে আফ্রিকার দলটি। ইয়ান দিয়োমান্দের দারুণ ক্রস থেকে নিকোলাস পেপে ভলিতে শট নিলেও লক্ষ্যভ্রষ্ট হন। ৩৫ মিনিটে এমমানুয়েল আগবাদুর দূরপাল্লার শট দারুণভাবে রুখে দেন নরওয়ের গোলরক্ষক ওরিয়ান নাইল্যান্ড।
এর দুই মিনিট পর আলেকজান্ডার সরলথের ক্রস থেকে হেড করেন হালান্ড। তবে সহজেই সেটি আটকে দেন ইয়াহিয়া ফোফানা।
৩৯ মিনিটে অবশেষে ম্যাচের জট খোলে। বক্সের বাম দিক থেকে বল পেয়ে অ্যান্তোনিও নুসা ডান পায়ে দুর্দান্ত বাঁকানো শটে বল জালে জড়িয়ে নরওয়েকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন। বিরতির আগে আরও কয়েকটি সুযোগ পেলেও ব্যবধান বাড়াতে পারেনি তারা।
এরপর কর্নার থেকে বড় এক সুযোগ পায় নরওয়ে। মার্টিন ওডেগার্ড কর্নারটি ভেতরে ভাসিয়ে দেন। সেখানে তোরবইর্ন হেগেম বলটি মাথা দিয়ে হালকা ফ্লিক করে গোলের দিকে পাঠান।
বলটি যখন জালের দিকে যাচ্ছিল, তখনই দারুণ উপস্থিতি দেখান আমাদ দিয়ালো। তিনি গোললাইন থেকে বলটি ক্লিয়ার করে আইভরি কোস্টকে বাঁচিয়ে দেন।
এরপর ৭৪ মিনিটে সেই দিয়ালোই বদলে দেন ম্যাচের চিত্র। নিকোলাস পেপের সঙ্গে ওয়ান-টু পাস খেলে বক্সে ঢুকে ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে দূরের কোণায় নিখুঁত শটে বল জালে পাঠিয়ে ১-১ সমতা ফেরান তিনি।
তবে বেশিক্ষণ সমতায় থাকেনি ম্যাচ। ৮৬ মিনিটে ডান প্রান্ত দিয়ে অস্কার ববের পাস থেকে মার্টিন ওডেগার্ড বল বাড়িয়ে দেন হালান্ডের দিকে।
নরওয়ের এই স্ট্রাইকার কাছ থেকে কোনোমতে বলটি গোললাইন পার করে দলকে আবারও ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে দেন।
Manual7 Ad Code
যোগ করা সময়ের ষষ্ঠ মিনিটে ফ্রি-কিক থেকে সমতায় ফেরার দারুণ সুযোগ পেয়েছিল আইভরি কোস্ট। দিয়ালোর জোরালো শট অসাধারণ দক্ষতায় ঝাঁপিয়ে রুখে দেন নাইল্যান্ড। সেই সেভেই নিশ্চিত হয় নরওয়ের জয়।