প্রকাশনার ১৬ বছর

রেজি নং: চ/৫৭৫

৩০শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১৬ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
১৫ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

জাপানের স্বপ্ন চুরমার করে শেষ ষোলোতে ব্রাজিল

editor
প্রকাশিত জুন ৩০, ২০২৬, ০৫:৪০ পূর্বাহ্ণ
জাপানের স্বপ্ন চুরমার করে শেষ ষোলোতে ব্রাজিল

Manual5 Ad Code

নিউজ ডেস্ক :
দুর্দান্ত এক প্রর্ত্যাবর্তনের গল্প লিখে শেষ ষোলতে জায়গা করে নিল ব্রাজিল। জাপানের আঁচে হতাশা নিয়ে প্রথমার্ধে ১-০তে পিছিয়ে পড়ে বিরতিতে গিয়েছিল ব্রাজিল!

Manual2 Ad Code

তবে ৫৬ মিনিটে ডেডলক ভেঙে ব্রাজিলকে কাঙ্ক্ষিত গোল এনে দেন ক্যাসিমিরো। তার ১-১ গোলে সমতায় ফেরে ব্রাজিল। যোগ করা সময়ের একেবারে শেষ মুহূর্তে ব্রাজিলকে জয়সূচক গোলটি এনে দেন মার্টিনেল্লি।

Manual7 Ad Code

যোগ করা সময়ের ষষ্ঠ মিনিটে গোল পায় গেল ব্রাজিল। গিমারাইজের বাড়ানো বলে গ্যাব্রিয়েল মার্টিনেল্লির কোনাকুনি শট পোস্টে লেগে জালে জড়িয়েছে। রেফারি ছয় মিনিটের ‘ইনজুটি টাইম’ দিয়েছিলেন।

এর আগে ফুটবল বিশ্বের পরাশক্তি ব্রাজিলকে স্তব্ধ করে দিয়ে দুর্দান্ত এক গোল করে ম্যাচে এগিয়ে যায় জাপান। ২৯ মিনিটে সানোর নিখুঁত এক শটে পিছিয়ে পড়ে পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা। হাইড্রেশন ব্রেকের ঠিক পরপরই নাটকীয়ভাবে আসা এই গোলটি ম্যাচের চিত্রপট পুরোপুরি বদলে দিয়েছে।

ম্যাচের শুরু থেকেই ব্রাজিল নিজেদের চেনা ছন্দে ছিল। বল দখলের লড়াইয়ে ৭৫ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ ছিল তাদের পায়েই। ম্যাচের শুরুর দিকের স্নায়ুচাপের কারণে জাপানি গোলরক্ষক সুজুকি কিছুটা অস্বস্তিতে থাকলেও ব্রাজিলের আক্রমণগুলো বারবার তার হাত কিংবা রক্ষণভাগের দেয়ালে বাধা পাচ্ছিল। ৩ মিনিটে গিমারায়েসের শট কিংবা ৫ মিনিটে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের সামনে বল ক্লিয়ার করা—সব মিলিয়ে ব্রাজিল গোল পেতে মরিয়া হয়ে উঠেছিল। কিন্তু একের পর এক সুযোগ তৈরি করেও কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পাচ্ছিল না তারা।

Manual4 Ad Code

১০ মিনিটে দানিলোর বাড়ানো বলে ব্রাজিলিয়ানদের নিজেদের মধ্যেই ভুল বোঝাবুঝির কারণে একটি সহজ সুযোগ হাতছাড়া হয়। এরপর কুনহা ও পাকেতার শটগুলোও লক্ষ্যভেদ করতে ব্যর্থ হয়। জাপান শুরুতে কিছুটা রক্ষণাত্মক ভঙ্গিতে খেললেও ১৬ মিনিটে কামাদার ফ্রি কিক থেকে তারা নিজেদের উপস্থিতি জানান দেয়।

ম্যাচের ২৯ মিনিটে পুরো দৃশ্যপট বদলে দেন সানো। মাঝমাঠে দানিলোর নিয়ন্ত্রণ হারানো লুজ বলটি লুফে নিয়ে দুর্দান্ত গতিতে এগিয়ে যান তিনি। অভিজ্ঞ কাসেমিরোকে গতিতে পরাস্ত করে বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া তার ডান পায়ের শটটি সরাসরি খুঁজে নেয় পোস্টের নিচের বাম কোণ। গোলরক্ষকের সব প্রচেষ্টাকে ব্যর্থ করে বল জালে জড়িয়ে গেলে গ্যালারিতে থাকা জাপানি সমর্থকরা উল্লাসে ফেটে পড়েন।

গোল হজম করার পর ব্রাজিল আক্রমণের ধার বাড়িয়ে দেয়। সমতা ফেরাতে মরিয়া সেলেসাওরা বারবার জাপানের রক্ষণভাগে হানা দিতে থাকে। পাকেতার ফ্রি কিক থেকে মারকুইনহোসের হেড অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। এর পরপরই ভিনিসিয়ুস জুনিয়র ও কুনহা দূরপাল্লার শট নিলেও জাপানি গোলরক্ষক সুজুকি এবার আর কোনো ভুল করেননি। রক্ষণভাগকে সুসংগঠিত রেখে প্রথমার্ধের বাকি সময়টা পার করে দেয় জাপান। বিরতির আগে ১-০ গোলের লিড নিয়ে মাঠ ছাড়ে এশিয়ার প্রতিনিধিরা।

Manual2 Ad Code

তবে ৫৬ মিনিটে ব্রাজিলের হয়ে জাপানের জালে বল জড়ান ক্যাসিমিরো। এরপর ভিনি দারুণ অ্যাটাক করলেও গোলের দেখা পানননি। শেষ মুহূর্তে ফের ডেডলক ভাঙেন মার্তিনেল্লি। জয় পেয়ে শেষ ষোলেতে নাম লেখায় ব্রাজিল আর চোখের জলে বিশ্ব মঞ্চ ছাড়ে সূর্যোদয়ের দেশ জাপান।

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
১০১১১৩
১৫১৬১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭
৩০  

Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code