ম্যাচ ফি বাড়ার পর একজন ক্রিকেটারের মাসিক আয় কত হবে?
ম্যাচ ফি বাড়ার পর একজন ক্রিকেটারের মাসিক আয় কত হবে?
editor
প্রকাশিত সেপ্টেম্বর ৩, ২০২৬, ০২:২৪ অপরাহ্ণ
Manual1 Ad Code
Manual1 Ad Code
ক্রীড়া প্রতিবেদক:
এবার বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) হচ্ছে না। ক্রিকেটারদের অনেকের মন খারাপ। তবে সেই মন খারাপের মাঝে সুখবর দিলেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি তামিম ইকবাল। জানিয়েছেন, ঘরোয়া ক্রিকেটের প্রত্যেক টুর্নামেন্টের ম্যাচ ফি বাড়ানো হয়েছে।
Manual1 Ad Code
বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলন তামিম জানান, শুধু বিপিএলে সুযোগ পাওয়া ৬০-৭০ জন খেলোয়াড় নয়; প্রথম শ্রেণি, ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টিতে নিয়মিত খেলা ১৫০ থেকে ২০০ ক্রিকেটারের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চান।
Manual8 Ad Code
তামিমের মতে, বিপিএল না হওয়া এবং ঢাকা লিগে আগের তুলনায় আর্থিক সুবিধা কমে যাওয়ায় ঘরোয়া ক্রিকেটারদের ওপর চাপ তৈরি হয়েছে। এ কারণে শুধু এক বছরের জন্য আর্থিক সহায়তা না দিয়ে স্থায়ী ব্যবস্থা করতে চায় বিসিবি।
ঘরোয়া ক্রিকেটে ম্যাচ ফিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হয়েছে বলে জানান বিসিবি সভাপতি। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ম্যাচ ফি ৭০ হাজার থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা, ওয়ানডেতে ৫০ হাজার থেকে ১ লাখ এবং টি-টোয়েন্টিতে ৪০ হাজার থেকে ৮০ হাজার টাকা করা হয়েছে।
Manual6 Ad Code
তিনি বলেন, ‘ম্যাচ ফি নিয়েও আমরা বড় পরিবর্তন এনেছি। আগে প্রথম শ্রেণির চার দিনের ম্যাচে একজন খেলোয়াড় ৭০ হাজার টাকা করে ম্যাচ ফি পেতেন। আমি (তামিম ইকবাল) অ্যাডহক কমিটিতে আসার পর (গত এপ্রিলে) সেটি ১ লাখ টাকা করেছিলাম। এরপর অবশ্য এখন পর্যন্ত একটি ম্যাচও হয়নি। তাই ৭০ হাজার টাকা ধরেই বলছি-এখন থেকে প্রথম শ্রেণির ম্যাচে একজন খেলোয়াড় ম্যাচপ্রতি ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা পাবেন। ওয়ানডে ক্রিকেটে ম্যাচ ফি ছিল ৫০ হাজার টাকা, সেটি বাড়িয়ে ১ লাখ টাকা করা হয়েছে। টি-টোয়েন্টিতে আগে ৪০ হাজার টাকা করে পাওয়া যেত, এখন থেকে সেখানে ম্যাচপ্রতি ৮০ হাজার টাকা দেওয়া হবে।’
নারী ক্রিকেটেও ম্যাচ ফি বাড়ানো হয়েছে, ‘তিন দিনের ম্যাচে আগে ২০ হাজার টাকা ছিল। আমরা আলোচনা করছি, এটিকে চার দিনের ম্যাচে রূপান্তর করা যায় কি না, যাতে খেলোয়াড়েরা টেস্ট ক্রিকেটের জন্য আরও ভালোভাবে প্রস্তুত হতে পারেন। ২০ হাজার টাকা এখন বাড়িয়ে ৪০ হাজার টাকা করা হয়েছে। লিস্ট-এ ক্রিকেটে যেটা ১৫ হাজার টাকা ছিল, সেটি করা হয়েছে ৩০ হাজার টাকা। আর টি-টোয়েন্টিতে ১০ হাজার টাকার ম্যাচ ফি বাড়িয়ে করা হয়েছে ২০ হাজার টাকা।’
ম্যাচ ফি বাড়িয়ে বিসিবি প্রধান স্পষ্ট করেন, ঢাকা লিগে ক্রিকেটারদের কম পারিশ্রমিক পাওয়া ও বিপিএল না হওয়ার প্রভাব পড়বে না ক্রিকেটারদের আয়ে। এখনকার নিয়মে একজন ক্রিকেটার মাসে ৩ লাখ টাকারও বেশি আয় করতে পারবেন বলে জানান তামিম।
তামিম বলেন, ‘সব ক্ষেত্রেই ম্যাচ ফি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো হয়েছে, কোথাও কোথাও যা ১০০ শতাংশেরও বেশি। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, এতে লাভটা কী? লাভটা হলো-একজন ঘরোয়া ক্রিকেটার যদি পুরো মৌসুম খেলেন, তাহলে তার বেতনসহ হিসাব করলে বছরে প্রায় ৩৫ থেকে ৪০ লাখ টাকা আয় করার সুযোগ তৈরি হবে, আমার হিসাব ভুল না হলে। সেটিকে ১২ মাসে ভাগ করলে একজন ক্রিকেটারের মাসিক আয় দাঁড়াবে ৩ লাখ টাকার বেশি।’