দোয়ারাবাজার প্রতিনিধি :
সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারের পল্লীতে নিজ বসতঘরের তীরের সাথে ওড়না পেচিয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে সিএনজি চালক সোলেমান মিয়া (৩৫) আত্মহনন করেন। তিনি উপজেলার লক্ষীপুর ইউনিয়নের এরুয়াখাই গ্রামের গিয়াস উদ্দিনের ছেলে।
সোমবার (১ সেপ্টেম্বরে) রাত ১০টা থেকে মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) সকাল ৭টার মধ্যবর্তী কোনো এক সময়ে ভিকটিমের নিজ বাড়িতে ঘটনাটি ঘটে।
Manual4 Ad Code
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, ভিকটিম সোলেমান মিয়া পেশায় একজন সিএনজি চালক। তিনি দীর্ঘদিন ধরে সুনামগঞ্জ শহরে ওই পেশায় নিয়োজিত থেকে সংসার চালাতেন। সম্প্রতি একটুখানি বিশ্রাম নিতে বাড়ি আসেন সোলেমান। কিন্তু বাড়ি আসাই তার কাল হলো। সপ্তাহখানেক অবস্থানের পরেও নিজ কর্মস্থলে না ফেরা নিয়ে সোমবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে স্বামী-স্ত্রী দুজনের মধ্যে শুরু হয় কথা কাটাকাটি। এর জের ধরে দুজনের মধ্যে দেখা দেয় চরম মনোমালিন্য। কিন্তু নিয়তির নির্মম পরিহাস! রাত পোহালেই পরদিন মঙলবার সকাল ৭টার দিকে তাদের ৮বছর বয়সী শিশুপুত্র রবিউল ইসলাম পরিধানের পোশাক বদলাতে তাদের বসতঘরে ঢুকে। এসময় তীরের সাথে বাবা সোলেমান মিয়ার ঝুলন্ত লাশ দেখে চিৎকার দেয় রবিউল। তার চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন দৌড়ে এসে জড়ো হন ঘটনাস্থলে। পরে স্থানীয় ইউপি সদস্য আহসান হাবীব থানায় ফোন দেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে সিএনজি চালক ভিকটিম সোলেমান মিয়ার লাশ উদ্ধার করে।
দোয়ারাবাজারে থানার অফিসার ইনচার্জ জাহিদুল হক জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ভিকটিমের লাশ উদ্ধার করে প্রাথমিক সুরতহাল রিপোর্ট সম্পন্ন করে। পরে ময়না তদন্তের জন্য লাশ সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়। তদন্ত রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।
Manual5 Ad Code
এ ব্যাপারে একটি অপমৃত্যু মামলা রুজু করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।