বুধবার দুপুর ১ টা ৪০ মিনিটের দিকে স্থানীয় একটি ক্লিনিকে শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তিনি উপজেলার কসকনকপুর ইউনিয়নের বিয়াবাইল গ্রামের বাসিন্দা। মৃত্যুকালে তাঁর এক ছেলে ও দুই মেয়ে রয়েছেন। বৃহস্পতিবার দুপুর ২ টা ১৫ মিনিটের সময় বিয়াবাইল গ্রাম জানাজা শেষে দাফন সম্পন্ন করা হবে।
জকিগঞ্জ ফাজিল সিনিয়র মাদ্রাসার শিক্ষক মাওলানা ফদ্বলুর রহমান জানান, মঙ্গলবার থেকে শিক্ষক মাওলানা আব্দুস সোবহান বুকে হালকা ব্যথা অনুভব করছিলেন বলে তাঁকে জানিয়েছিলেন। তবে বুধবারেও দুপুর পর্যন্ত মাদ্রাসায় পাঠদান করেছেন। একপর্যায়ে বুকে ব্যথা বেড়ে গেলে স্থানীয় একটি ক্লিনিকে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে যান। সেখানেই দুপুর ১ টা ৪০ মিনিটের দিকে শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
Manual4 Ad Code
এদিকে শিক্ষক মাওলানা আব্দুস সোবহান বিয়াবাইলী হুজুরের আকস্মিক মৃত্যুতে উপজেলা জুড়ে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সদা হাসিমুখের শিক্ষকের আকস্মিক মৃত্যু কোনভাবে মানতে পারছেন না শিক্ষার্থীরা। শেষবারের মত একনজরে প্রিয় শিক্ষককে দেখতে তাঁর গ্রামের বাড়িতে ভীড় করছেন অসংখ্য শিক্ষার্থীসহ শুভাকাঙ্ক্ষী ও সহকর্মীগণ। তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন জকিগঞ্জ ফাজিল সিনিয়র মাদ্রাসার অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মাওলানা মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম, অধ্যক্ষ মাওলানা এখলাছুর রহমানসহ সহকর্মী শিক্ষকবৃন্দ, জকিগঞ্জ প্রেসক্লাবের কোষাধ্যক্ষ আল হাছিব তাপাদারসহ বিভিন্ন শ্রেণির পেশার নেতৃবৃন্দ।