বড়লেখায় পুলিশের কাছ থেকে ছাত্রলীগ নেতাকে ছিনতাইয়ের ঘটনায় মা ম লা, গ্রেপ্তার ৪
বড়লেখায় পুলিশের কাছ থেকে ছাত্রলীগ নেতাকে ছিনতাইয়ের ঘটনায় মা ম লা, গ্রেপ্তার ৪
editor
প্রকাশিত এপ্রিল ১৩, ২০২৫, ১২:৩২ অপরাহ্ণ
Manual2 Ad Code
বড়লেখা সংবাদদাতা:
মৌলভীবাজারের বড়লেখায় একটি রাজনৈতিক মামলার আসামি ছাত্রলীগ নেতা মাসুম আহমদ হাসানকে গ্রেপ্তারের সময় পুলিশের ওপর আক্রমণ করে তার স্বজন ও স্থানীয় লোকজন তাকে ছিনিয়ে নিয়েছে বলে অভিযোগ ওঠেছে।
শনিবার (১২ এপ্রিল) রাত নয়টার দিকে উপজেলার কলাজুরা বাজারে এই ঘটনা ঘটে। এই ঘটনার পরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে।
Manual5 Ad Code
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, উপজেলা কলাজুরা গ্রামের তাজুল ইসলাম, জামিল আহমদ, গৌরধন সিংহ ও মুরাদ আহমদ। তবে, স্থানীয়দের অভিযোগ মূল অপরাধীদের গ্রেপ্তার না করে পুলিশ নিরীহ তিন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে।
Manual7 Ad Code
এই ঘটনায় শনিবার রাতেই বড়লেখা থানার এসআই দেবল চন্দ্র সরকার বাদি হয়ে ১৭ জনের নাম উল্লেখ ও আরও ৫০/৬০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে পুলিশ অ্যাসল্ট মামলা করেছেন।
থানা পুলিশ, প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার কলাজুরা গ্রামের বাসিন্দা সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আজির উদ্দিনের ছেলে ছাত্রলীগ নেতা মাসুম আহমদ হাসানের বিরুদ্ধে থানায় একটি রাজনৈতিক মামলা (নং-০৯) রয়েছে। শনিবার রাতে বড়লেখা থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই তৌহিদুর রহমানের নেতৃত্বে পুলিশ কলাজুরা বাজারে অভিযান চালিয়ে মাসুমকে গ্রেপ্তার করে গাড়িতে উঠাতে গেলে তার স্বজন ও স্থানীয় লোকজন দ্রুত সেখানে জড়ো হয়ে তাকে পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেন। এসময় ছাত্রলীগ নেতা মাসুম আহমদ হাসান পালিয়ে যান। পরে খবর পেয়ে বড়লেখা থানার ওসি আবুল কাশেম সরকারের নেতৃত্বে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। এই ঘটনার পরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেপ্তার করে।
Manual2 Ad Code
মামলার বাদি বড়লেখা থানার এসআই দেবল চন্দ্র সরকার রোববার দুপুরে বলেন, একটি মামলার আসামি ছাত্রলীগ নেতা মাসুমকে গ্রেপ্তারের সময় পুলিশের ওপর আক্রমণ করে আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় তিনি বাদি হয়ে ছাত্রলীগ নেতা মাসুমসহ ১৭ জনের নাম উল্লেখ ও আরও ৫০/৬০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে মামলা করেছেন।
বড়লেখা থানার ওসি আবুল কাশেম সরকার বলেন, রোববার বিকেলে গ্রেপ্তার আসামিদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।