আগামী নির্বাচনে নিরাপত্তায় ৪০ হাজার বডি ক্যামেরা কিনছে সরকার
আগামী নির্বাচনে নিরাপত্তায় ৪০ হাজার বডি ক্যামেরা কিনছে সরকার
editor
প্রকাশিত আগস্ট ১০, ২০২৫, ০৬:৪৫ পূর্বাহ্ণ
Manual4 Ad Code
স্টাফ রিপোর্টার:
জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ বাহিনীর জন্য ৪০ হাজার বডি-ওয়ার্ন ক্যামেরা (বডিক্যাম) কিনতে যাচ্ছে অন্তর্বর্তী সরকার।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে শনিবার (৯ আগস্ট) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় উচ্চ পর্যায়ের এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়। প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী এবং প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী খোদা বকশ চৌধুরী ও ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।
Manual8 Ad Code
ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব জানান, ৪০ হাজার বডিক্যামের ক্রয় প্রক্রিয়া শেষ পর্যায়ে রয়েছে।
Manual5 Ad Code
তিনি বলেন, এই ডিভাইসগুলো দেশের হাজারো ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্রে নিরাপত্তা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
Manual7 Ad Code
তিনি আরও জানান, আমরা অক্টোবরের মধ্যে বডিক্যামগুলো কেনার লক্ষ্য নিয়েছি, যাতে পুলিশ সদস্যরা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) সুবিধাসহ এর মূল বৈশিষ্ট্যগুলো নিয়ে যথেষ্ট প্রশিক্ষণ নিতে পারেন।
Manual6 Ad Code
এ বিষয়ে জার্মানি, চীন ও থাইল্যান্ডের তিনটি কম্পানির সঙ্গে ক্যামেরা সরবরাহের বিষয়ে যোগাযোগ করেছে বাংলাদেশ। নির্বাচনের দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্য ও কনস্টেবলরা এগুলো বুকে ধারণ করবেন।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস কর্মকর্তাদের ক্রয় প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করতে এবং হাজারো পুলিশ সদস্যের জন্য সঠিক প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করতে নির্দেশ দিয়েছেন।
তিনি বলেন, ‘যে কোনো মূল্যে দেশের সব ভোটকেন্দ্রে সম্পূর্ণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। আমাদের লক্ষ্য হলো ফেব্রুয়ারির নির্বাচনকে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করা।’
বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টার টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক বিশেষ সহকারী আসন্ন নির্বাচনের জন্য একটি ইলেকশন অ্যাপ চালুর পরিকল্পনা প্রকাশ করেন।
অ্যাপটিতে প্রার্থী সম্পর্কিত তথ্য, ভোটকেন্দ্রের আপডেট এবং অভিযোগ জানানোর জন্য ইন্টারঅ্যাকটিভ সুবিধাসহ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাবে। প্রধান উপদেষ্টা কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন অ্যাপটি দ্রুত চালু করতে এবং দেশের ১০ কোটির বেশি ভোটারের জন্য এটি সহজে ব্যবহারযোগ্য করতে।