স্টাফ রিপোর্টার:
মাঠের ফুটবলে বাংলাদেশের জাতীয় দল সাম্প্রতিক সময়ে সুদিন পার করলেও ঘরোয়া ফুটবলের ব্যবস্থাপনায় বড় ধরনের স্থবিরতা দেখা দিয়েছে। পৃষ্ঠপোষক বা স্পনসর না পাওয়ায় চলতি মৌসুমের সূচি থেকে আলোচিত ‘সুপার কাপ’ টুর্নামেন্টটি বাদ দিতে বাধ্য হয়েছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) বাফুফের সিনিয়র সহসভাপতি ও পেশাদার লিগ কমিটির চেয়ারম্যান ইমরুল হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মূলত একটি বড় টেলিকম কোম্পানি শেষ মুহূর্তে টুর্নামেন্টটি স্পনসর করতে অপারগতা প্রকাশ করায় কোটি টাকা বাজেটের এই টুর্নামেন্ট আয়োজন করা সম্ভব হচ্ছে না বলে জানা গেছে।
Manual6 Ad Code
বাফুফে চলতি মৌসুমে লিগসহ মোট পাঁচটি টুর্নামেন্ট আয়োজনের ঘোষণা দিয়েছিল। এর মধ্যে বাংলাদেশ ২.০ চ্যালেঞ্জ কাপ, ফেডারেশন কাপ এবং বাংলাদেশ ফুটবল লিগ ইতিমধ্যে মাঠে গড়িয়েছে। সূচি অনুযায়ী মধ্যবর্তী দলবদলের সময় সুপার কাপ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও এখন তা আর হচ্ছে না।
Manual2 Ad Code
ইমরুল হাসান সংবাদমাধ্যমকে জানান, একটি টেলিকম কোম্পানির সঙ্গে প্রাথমিক আলোচনা চূড়ান্ত পর্যায়ে থাকলেও কয়েক দিন আগে তারা পিছিয়ে যায়। বর্তমানে নতুন কোনো স্পনসর খুঁজে পাওয়া এবং সূচি সমন্বয় করা চ্যালেঞ্জিং হওয়ায় টুর্নামেন্টটি আগামী মৌসুমের জন্য পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে।
Manual3 Ad Code
বাংলাদেশের ঘরোয়া ফুটবলের ইতিহাসে সুপার কাপ একটি আকর্ষণীয় টুর্নামেন্ট হিসেবে পরিচিত, যা এর আগে ২০০৯, ২০১১ এবং ২০১৩ সালে সফলভাবে আয়োজিত হয়েছিল। তবে দীর্ঘ সময় পর এটি ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা করা হলেও আর্থিক সংকটে তা আবারও অনিশ্চয়তার মুখে পড়ল।
ফুটবল সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, মাঠের পারফরম্যান্স ভালো থাকা সত্ত্বেও কেন ঘরোয়া ফুটবলে বড় স্পনসররা আগ্রহী হচ্ছে না, সেটি বাফুফের নীতিনির্ধারকদের জন্য একটি বড় চিন্তার বিষয়। চলতি মৌসুমে চারটি টুর্নামেন্ট সফলভাবে শেষ করার লক্ষ্য থাকলেও একটি টুর্নামেন্ট বাতিল হওয়ায় বাফুফের পেশাদারিত্ব নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন উঠছে।