সিলেট-৬: কঠোর পরিশ্রমের পরও সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনি জামায়াত
সিলেট-৬: কঠোর পরিশ্রমের পরও সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনি জামায়াত
editor
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬, ১০:২৪ পূর্বাহ্ণ
Manual3 Ad Code
স্টাফ রিপোর্টার:
Manual7 Ad Code
প্রায় দেড় বছরের বেশী সময় থেকে নির্বাচনী মাঠ গোছাতে শুরু করেন সিলেট-৬ বিয়ানীবাজার-গোলাপগঞ্জ নির্বাচনী আসনের জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা। নিন্দ্রাহীন ক্লান্তিও তাদের ছুঁতে পারেনি। বিন্দুমাত্র অবহেলায় সময় কাটাননি তারা। মাঠ-ঘাট, গ্রাম-গঞ্জ সর্বত্র চষে বেড়িয়েছেন হাজারো নেতাকর্মী। এই আসনে জয়ের ব্যাপারে চূড়ান্ত আত্মবিম্বাসী ছিলেন জামায়াতের নেতাকর্মীরা। কিন্তু ভাগ্য তাদের সহায় হয়নি।
কৌশলী-কোন্দলহীন প্রচারণা, ত্রান সামগ্রী বিতরণ, সেলাই মেশিন বিতরণ, গণবিয়ে, বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা, ওষুধ বিতরণ, ওঠান বৈঠক, বৃত্তি বিতরণ, নানা উন্নয়ন প্রকল্পে সহায়তাসহ মানুষের মন জয়ে সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছিলেন জামায়াত-শিবির নেতাকর্মীরা। দলটির নেতাকর্মীদের কাছে অতিগুরুত্বপূর্ণ নেতা মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন বিজয় হবেন-এমনটা তারা নিশ্চিত ছিলেন। যদিও ১২ ফেব্রুয়ারীর ভোটে অল্প ব্যবধানে তাদের প্রার্থীকে হারতে হয়েছে।
Manual4 Ad Code
ভোটের আগের দিন পর্যন্ত সিলেট-৬ (বিয়ানীবাজার-গোলাপগঞ্জ) আসনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিনের অবস্থান ছিল খুবই সংহত। এ আসনে প্রথমবার ইসলামী এ দলটির সামনে বড় সুযোগ সৃষ্টি হয়।
দাঁড়িপাল্লার বিজয়ের প্রত্যাশায় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের প্রাণপণ চেষ্টা ছিল নির্বাচনী মাঠে। প্রতিটি নির্বাচনী কর্মকাণ্ডে মানুষের ব্যাপক উপস্থিতিতে স্বস্তি পেতে থাকেন প্রার্থী থেকে জামায়াতের সর্বস্তরের নেতাকর্মী।
Manual2 Ad Code
এ আসন থেকে জামায়াতে ইসলামী মোট ৪টি জাতীয় নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। ১৯৯১, ১৯৯৬, ২০০৮ সালের নির্বাচনে বিজয়ী প্রার্থীদের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তুলতে পারেনি দলটি। ১৯৯১ সালে জামায়াতের প্রার্থী অধ্যাপক ফজলুর রহমান ১৫ হাজার ২৬৭ ভোট, ১৯৯৬ ও ২০০৮ সালে মাওলানা হাবিবুর রহমান ১৪ হাজার ১৬৩ ও ৫১ হাজার ৯৭৪ ভোট পেয়েছিলেন। ২০২৬ সালের ত্রয়োদশ নির্বাচনে দলটির প্রার্থী লক্ষাধিক ভোট পান। বিয়ানীবাজারের ৫টি ইউনিয়নে দলটি পরাজিত হয়।
বিয়ানীবাজার উপজেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি রুকন উদ্দিন বলেন, নেতাকর্মীদের কঠোর পরিশ্রম ও সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে আমরা বিজয়ের কাছাকাছি ছিলাম। অল্প ব্যবধানে হারের বিষয়টি দলীয়ভাবে পর্যালোচনা করা হবে।