বিয়ানীবাজার পৌরশহরে যে যেখানে পারছে গাড়ি পার্কিং করছে। তিন চাকার যানের পাশাপাশি বাস-ট্রাক, বড় যানবাহনও এখন সড়কের উপর দাঁড় করিয়ে রাখা হয়। ফলে ক্রমাগতই বাড়ছে যত্রতত্র পার্কিং। বড় যানবাহনের সাথে পাল্লা দিয়ে ছোট যানবাহনগুলোও সড়কের উপর দাঁড় করিয়ে রাখা হয়।
বিয়ানীবাজার পৌরশহরে অবৈধ পার্কিংয়ে পিছিয়ে নেই কোন ধরনের যানবাহন। বিশেষ করে সিএনজিচালিত অটোরিক্সা ও প্রাইভেট গাড়িগুলোর চালকরা বেপরোয়া। এখানকার সড়কের বেশীরভাগ অংশজুড়ে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত সারি সারি গাড়ি অবৈধভাবে পার্কিং করে রাখা হয়। এতে একদিকে সরু হচ্ছে সড়ক, অন্যদিকে যানজটে কমছে যানবাহনের গতি।
বিশেষত, বিয়ানীবাজার পৌরশহরের প্রবেশদ্বার নয়াবাজার থেকে শুরু হয় সড়কের উপর যানবাহন পার্কিং। সড়কের একটি অংশ দখল করে রাখে ঢাকাগামী বাসগুলো। এরপর হাসপাতালের সামনে সারি সারি অ্যাম্বুলেন্স পার্কিং করা। আর সিএনজি অটোরিক্সার কথা সবাই জানেন। এই পরিবহনের চালকদের কাছে পার্কিং করতে স্ট্যান্ড লাগেনা। দিন কিংবা রাত, যখন-তখন তারা যেখানে-সেখানে গাড়ি পার্কিং করেন।
Manual2 Ad Code
Manual7 Ad Code
স্থানীয়দের অভিযোগ, পরিকল্পিত ব্যবস্থাপনার অভাব ও পর্যাপ্ত পার্কিং সুবিধা না থাকাই এ সমস্যার মূল কারণ। তাদের মতে, পৌরশহরে যেসব বিপনীবিতান গড়ে উঠেছে, সেগুলোর পার্কিং স্পেস রাখা হয়নি। ফলে গাড়ির সংখ্যা বাড়লেও পার্কিং সুবিধা সে হারে বাড়েনি। বাস্তবে দেখা যায়, অনেকক্ষেত্রে নিয়মনীতি উপেক্ষা করে ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে। এতে আরও তীব্র হচ্ছে পার্কিং সংকট।
বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, নির্দিষ্ট পার্কিং ব্যবস্থার অভাবে চালকেরা যেখানে-সেখানে গাড়ি পার্কিং করছেন। ফলে এসব এলাকায় যানজট ভয়াবহ রূপ নেয়। সড়কের পাশে গাড়ি পার্কিংয়ের কারণে অনেক সময় অ্যাম্বুলেন্স বা ফায়ার সার্ভিসের যানবাহন দ্রুত চলাচল করতে পারে না। এতে জরুরি সেবাও বিঘ্নিত হচ্ছে।
Manual7 Ad Code
স্থানীয় বাসিন্দা শামসুদ্দিন বলেন, ‘অনেক সময় দেখি পুরো একটা সাইড দখল করে সারি সারি গাড়ি দাঁড়িয়ে থাকে। ফলে বাকি লেনে সব গাড়ি গাদাগাদি করে চলে, এতে দিনভর জ্যাম লেগেই থাকে।’
Manual7 Ad Code
উত্তর বাজার ব্যবসায়ী সমিতির যুগ্ম আহবায়ক খলিলুর রহমান বলেন, ‘হাজার হাজার টাকা ভাড়া দেয়ার পরও দোকানের সামনে এনে গাড়ি পার্কিং করা হয়। যা খুবই দু:খজনক।’
পৌরশহরে দায়িত্বরত এক ট্রাফিক পুলিশ সদস্য জানান, আমরা আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিচ্ছি। এরপরও পরিবহণ শ্রমিকরা যত্রতত্র গাড়ি পার্কিং করছে। এখন থেকে আইন প্রয়োগে আরোও কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।