বিয়ানীবাজারে বন্ধুকে ছুরিকাঘাতে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার কিশোরকে শিশু-কিশোর সংশোধানাগারে প্রেরণ করেছেন আদালত। সেখানে বেশ অনুতপ্ত তামিম আহমদ। এর আগে পুলিশের হেফাজতে যাওয়ার পর সে কান্নাজড়িত কন্ঠে পুরো ঘটনার বর্ণণা দিয়েছে।
Manual3 Ad Code
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তামিম আহমদ (১৫) থানা পুলিশকে জানিয়েছে, খুন করার জন্য সিয়াম আহমদ (১৪) কে ছুরিকাঘাত করেনি সে। ফুটবল খেলায় পেনাল্টি শুট নিয়ে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে আম কাটার ছুরি দিয়ে সিয়ামকে আঘাত করে তামিম। ছুরির এই আঘাতটি হৃদযন্ত্রের কাছাকাছি গিয়ে লাগে। ঘটনাস্থলেই নিহত হয় সিয়াম। এ ঘটনায় নিহতের মা ছালিমা বেগম বাদী হয়ে বিয়ানীবাজার থানায় মামলা দায়ের করেন। তার পিতার নাম আব্দুস শুকুর। আর সিয়ামের পিতা কয়েছ আহমদ।
Manual3 Ad Code
তবে ক্ষুব্দ এলাকাবাসী জানান, ফুটবল খেলায় ছুরি নিয়ে যাওয়া তামিম আহমদের চলাফেরা ভালো ছিলনা। খেলার মাঠে কেন সে ছুরি নিয়ে যাবে, এটাও প্রশ্ন করছেন কেউ কেউ। ঘাতক তামিম সাবেক মহিলা ইউপি সদস্য সোনারুন বেগমের নাতি।
বিযানীবাজার উপজেলার লাউতা ইউনিয়নের দক্ষিণ পাড়িয়াবহর গ্রামের থানাঘাট এলাকায় শুক্রবার সন্ধ্যা ৬ টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। ঘাতক ও নিহত দু’জন পরস্পর বন্ধু বলে স্থানীয় সূত্র জানায়।
এদিকে শনিবার তামিমকে হেফাজতে নিয়ে আদালতে সোর্পদ করে পুলিশ।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই রফিকুল ইসলাম জানান, ধৃত আসামীর বয়স কম। আইন অনুযায়ী তাকে রিমান্ডে আনার সুযোগ নেই। তবে প্রত্যক্ষদর্শীর সাক্ষ্য নিয়ে মামলার তদন্ত কার্যক্রম চলবে। এ বয়সের আসামীদের অত্যন্ত সতর্কতার সাথে জিজ্ঞাসাবাদ করতে হয়।