বিয়ানীবাজার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে খাবার সরবরাহে অনিয়মে উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত
বিয়ানীবাজার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে খাবার সরবরাহে অনিয়মে উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত
editor
প্রকাশিত মে ১৮, ২০২৬, ১১:৪৯ পূর্বাহ্ণ
Manual3 Ad Code
স্টাফ রিপোর্টার:
বিয়ানীবাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে খাবার সরবরাহে কয়েক বছর থেকে চলমান অনিয়ম-দূর্নীতির তদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ের নির্দেশে উচ্চ পর্যায়ের একটি তদন্ত দল সোমবার দুপুরে সরজমিন খাবার সরবরাহ ব্যবস্থা পরিদর্শন করেন। এতে ব্যাপক অনিয়ম ধরা পড়ে বলে জানা গেছে।
Manual3 Ad Code
তদন্ত দলে সিলেটের সিভিল সার্জন ডা: মো: নাসির উদ্দিন ও ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা: জন্মেজয় দত্তসহ আরো একজন প্রতিনিধি ছিলেন।
Manual7 Ad Code
জানা যায়, বিয়ানীবাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে খাবার সরবরাহ ব্যবস্থায় অনিয়ম এবং উচ্চ আদালতের স্থিতাবস্থা নিয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুলের কাছে অভিযোগ করেন সুজন বিয়ানীবাজার শাখার সভাপতি এডভোকেট মো: আমান উদ্দিন। তার এমন অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত দল হাসপাতালের খাবার সরবরাহ ব্যবস্থা, হাইকোর্টে মামলার কার্যক্রম নিয়ে নানা বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার কাছে জানতে চান। সিভিল সার্জন নিজে গিয়ে হাসপাতালের রান্নাঘর ঘুরে দেখেন।
তদন্ত কার্যক্রম সম্পর্কে সিলেটের সিভিল সার্জন ডা: মো: নাসির উদ্দিন বলেন, মামলার কার্যক্রম নিয়ে আমরা উর্দ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলবো। এছাড়াও খাবার সরবরাহকারী সঞ্জিব করকে বরখাস্ত করা হবে।
Manual4 Ad Code
প্রসঙ্গত, হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞার কারণে দীর্ঘ ১৭ বছর থেকে বিয়ানীবাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে খাবার সরবরাহের জন্য নতুন ঠিকাদার নিয়োগ স্থগিত রয়েছে। চলতি বছরের জুনে এই নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। এদিকে উচ্চ আদালতের নিষেধাজ্ঞার সুযোগ নিয়ে তদারকিবিহীন রোগীদের মাঝে নিম্নমানের খাবার সরবরাহ শুরু করেন ঠিকাদার কে.বি সাইনের সত্ত্বাধিকারী সঞ্জিব কর। সরকারিভাবে সরবরাহ করা সকালের নাস্তা এবং দুপুর ও রাতের খাবার এতই নিম্নমানের যে এগুলো খেয়ে রোগীরা আরও অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। এছাড়া রোগীদের খাবার যে রান্না ঘরে তৈরি হয় তার অবস্থাও চরম অস্বাস্থ্যকর।
বিয়ানীবাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা: মনিরুল হক খান জানান, কয়েক দফা উর্দ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি অবগত করা হয়েছে। এবার খাবার সরবরাহ ব্যবস্থার একটা সুরাহা হতে পারে।