বিয়ানীবাজার-গঁজুকাটা সড়কের উন্নয়ন কাজের ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন করলেন এমপি এমরান
বিয়ানীবাজার-গঁজুকাটা সড়কের উন্নয়ন কাজের ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন করলেন এমপি এমরান
editor
প্রকাশিত আগস্ট ১০, ২০২৬, ০২:০৫ অপরাহ্ণ
Manual8 Ad Code
স্টাফ রিপোর্টার:
দীর্ঘদিনের অবহেলা ও সংস্কারের অভাবে জরাজীর্ণ হয়ে পড়া বিয়ানীবাজার উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ বিয়ানীবাজার-সারপার বাজার-গঁজুকাটা সড়কের ভোগান্তির অবসান ঘটিয়ে উন্নয়ন কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে। সোমবার বাদ জোহর সারপার বাজারে প্রায় ৪৭ কোটি টাকা ব্যয়ে বাস্তবায়নাধীন এই সীমান্ত সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে কাজের শুভ সূচনা করেন সিলেট-৬ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী।
Manual6 Ad Code
এমপি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে সীমান্ত এলাকার মানুষের অন্যতম দাবি ছিল এই সড়কের উন্নয়ন। সরকারের আন্তরিকতা ও উন্নয়ন পরিকল্পনার অংশ হিসেবে সড়কের বিভিন্ন অংশে প্রশস্তকরণ, শক্তিশালীকরণ ও পুনর্বাসনের কাজ সম্পন্ন করা হবে।
Manual7 Ad Code
উপস্থিত ছিলেন সিলেট জেলা এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন খান, সিনিয়র সহকারী প্রকৌশলী শেখ আজিমুর রশীদ, জেলা বিএনপির সহ সভাপতি নজমুল হোসেন পুতুল, সহ স্থানীয় সরকার বিষয়ক সম্পাদক এনাম উদ্দিন, উপজেলা বিএনপির সভাপতি এডভোকেট আহমদ রেজা, সহ সভাপতি আব্দুস সবুর, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন, পৌর বিএনপির সভাপতি মিজানুর রহমান রুমেল ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক নজমুল হোসেন, উপজেলা প্রকৌশলী দিপক কুমার দাস, উপ সহকারী প্রকৌশলী সাইফুল ইসলাম ও আনোয়ার হোসেন, উপজেলা জাসাসের আহবায়ক মুজিবুর রহমান ও সদস্য সচিব আব্দুল হালিম রানা, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক দৌলা হোসেন সুবাস ও এম. এ গণি, সদস্য মাহবুবুর রহমান চৌধুরী মবু, শাহিন আহমদ, এম. সাইফুর রহমান সাইফ, জেলা কৃষকদলের সদস্য গোলজার আহমদ রাহেল, মুড়িয়া ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিন, বিএনপি নেতা ফজল আহমদ তাপাদার, সমাজসেবক আলিম উদ্দিন প্রমুখ।
Manual2 Ad Code
Manual4 Ad Code
জানা গেছে, প্রায় ২১ দশমিক ৭ কিলোমিটার দীর্ঘ এই জরাজীর্ণ সড়কটিকে প্রশস্তকরণ, পুনর্নির্মাণ ও আধুনিকায়নের মাধ্যমে একটি দীর্ঘস্থায়ী ও মানসম্মত যোগাযোগ মাধ্যমে রূপ দেওয়া হবে। বিয়ানীবাজারের মুড়িয়া ও দুবাগ ইউনিয়নের ওপর দিয়ে চলে যাওয়া এই পথটি কেবল স্থানীয় বাসিন্দা, শিক্ষার্থী ও ব্যবসায়ীদের চলাচলেই ভূমিকা রাখে না; বরং সীমান্তসংলগ্ন বিজিবি ক্যাম্পগুলোর সুরক্ষামূলক যাতায়াতের জন্যও এটি কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘদিন যাবৎ সংস্কারের অভাবে পথটি চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ায় প্রতিদিন চরম দুর্ভোগ পোহাতে হতো সাধারণ মানুষ ও পরিবহন চালকদের| তাই সড়কটির স্থায়ী রূপ দিতে এবং নির্মাণ চলাকালে জনভোগান্তি এড়াতে পুরো প্রকল্পটি তিনটি ধাপে পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।